Showing posts with label ধর্মান্তর. Show all posts
Showing posts with label ধর্মান্তর. Show all posts

Saturday, 5 September 2020

মেয়েদেরকে বলছি- দেখে নিন, কেনো একজন হিন্দু ছেলে স্বামী হিসেবে আদর্শ ?


মেয়েদেরকে বলছি- দেখে নিন, কেনো একজন হিন্দু ছেলে স্বামী হিসেবে আদর্শ ?

১। সে কখনো দ্বিতীয় বিয়ে করবে না এবং এ ব্যাপারে চিন্তাও করবে না।

২। সে কখনো আপনাকে ডিভোর্স দেবে না এবং এ ব্যাপারে ভাবতেও ভয় পাবে।

৩। স্বামীর সংসারে আপনিই একমাত্র রানী আর আপনার সংসার আপনারই আজীবনের রাজত্ব, সেখানে আপনার দাসী হওয়ার ভয় নেই, তালাকপ্রাপ্তা হয়ে নিজের সংসার থেকে বিতাড়িত হওয়ার ভয় নেই।

৪। আপনার একবারই বিয়ে হবে এবং সেটা লাইফ গ্যারান্টি।

৫। একটি হিন্দু পরিবার হলো মেয়েদের জন্য পৃথিবীতে সবচেয়ে নিরাপদ এবং সুখময় স্থান।

আপনার আর কী চাই ?

এর বিপরীতে কোনো হিন্দু মেয়ে যদি  মুসলমান কাউকে বিয়ে করে,  সেক্ষেত্র -

১। তাকে হিন্দুধর্ম ত্যাগ করতে হবে; কারণ, অমুসলিমের সাথে মুসলমানদের বিয়ে ইসলাম সম্মত নয়।

২। নিজ পরিবার থেকে বিতাড়িত হবে।

৩। পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজনের অভিশাপ নিয়ে নতুন জীবন শুরু করতে হবে, যেটা কখনোই মঙ্গলজনক হয় না।

৪। নতুন কালচার শিখতে হবে এবং গরুর মাংসের মতো নিকৃষ্ট খাবার খেতে অভ্যস্ত হতে হবে।

৫। স্বামী আরেকটি বিয়ে করলে সতীনের সংসারে দাসীর মতো থাকতে হবে।

৬। সব সময় ডিভোর্সের ভয়ে থাকতে হবে এবং ডিভোর্স পেলে পথে বসতে হবে।

৭। কোনো কারণে ডিভোর্স হলে বাপের বাড়িতেও ফিরতে পারবে না, তখন তাকে আত্মহত্যা করতে হতে পারে। আর আত্মহত্যা না করলেও পুনঃবিবাহ ও তালাকের চক্করের তাকে একটা বেশ্যার জীবন যাপন করতে হবে। 

এরকম অসংখ্য উদাহরণ আমাদের চারপাশেই রয়েছে, তাই চোখ কান খোলা রাখলেই এগুলো দেখতে ও বুঝতে পারবেন।

তাই হিন্দু মেয়েদেরকে বলছি-  কোনো মুসলমান ছেলেকে বিয়ে করে আপনি এত রিস্ক কেনো নেবেন ?

বিষয়টি নিয়ে ভাবুন, আপনার দাম্পত্যজীবন সুন্দর হবেই হবে।

জয় হিন্দ।

Friday, 28 August 2020

জামায়াত-শিবিরের ধর্মান্তর কৌশল সম্পর্কে আপনি কতটুকু সচেতন ?



জামায়াত-শিবিরের ধর্মান্তর কৌশল সম্পর্কে আপনি কতটুকু সচেতন ?

হিন্দু ছেলে মেয়েরা সাধারণত ধর্মান্তরিত হয় লাভজিহাদ বা প্রেমের ফাঁদে পড়ে। কিন্তু যখন দেখবেন কোনো হিন্দু ছেলে বা মেয়ে, মুসলমান ছেলে মেয়ের সাথে প্রেম-ভালোবাসা ছাড়াই সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছে বা হচ্ছে, তখনই বুঝবেন- এর পেছনে কাজ করেছে জামায়ত শিবিরের দীর্ঘ সময়ের অর্থ সহায়তা এবং ব্রেইনওয়াশ প্রসেস, যে সম্পর্কে ৯৯% হিন্দুর কোনো ধারণাই নেই।

ফটোপোস্টে যাদেরকে দেখছেন, তারা সবাই কোনোরকম প্রেমের সম্পর্ক ছাড়াই সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছে, যেটা তাদের শুধু পিতা মাতা নয়, সবার কাছেই ছিলো অপ্রত্যাশিত। কিন্তু কী কারণে এমনটা ঘটলো বা ঘটা সম্ভব সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন, আজকের এই আলোচনায়।

এস.এস.সি পাশ করার পর গ্রাম থেকে যেসব গরীব বা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে মেয়েরা শহরে আসে পড়াশোনার জন্য, তারা প্রথম দিকে টাকা পয়সাসহ নানারকম সমস্যা ফেস করে। যাদের আত্মীয় স্বজন শহরে থাকে না, তারা কোনো একটি মেসে উঠে প্রাথমিক আশ্রয় হিসেবে। জামায়াত শিবিরের লোকজন টার্গেট করে এই সব ছেলে মেয়েদের। তারা তাদেরকে তাদের নির্ধারিত মেসে অল্প টাকায় থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়; বিভিন্ন কোচিং সেন্টার, যেগুলো জামায়াত শিবিরের লোকজন দ্বারাই পরিচালিত, সে সব প্রতিষ্ঠানে অল্প টাকায় ভর্তির ব্যবস্থা করে দেয়, এছাড়াও তাদেরকে টিউশনি পাইয়ে দেওয়া বা কোনো পার্টটাইম কাজও তাদেরকে যোগার করে দেয়, এভাবে ঐ ছেলে বা মেয়েকে তারা অর্থের বাঁধনে শক্ত করে বেঁধে ফেলে এবং তার কাছে নিজেদেরকে মহান উপকারী বন্ধু বা ব্যক্তি হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তোলে। 

হিন্দুসমাজ তো ধর্মের ব্যাপারে বরাবরই উদাসীন, তারা ছেলে মেয়েদেরকে শুধু পাঠ্যপুস্তক পড়িয়ে জজ ব্যারিস্টার ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার বানাতেই বেশি আগ্রহী, তারা ছেলে মেয়েদেরকে ধর্ম শিক্ষা দিয়ে সময় নষ্ট(!) করতে মোটেই আগ্রহী নয়, ছেলে মেয়েদের পেছনে ধর্মশিক্ষার নামে অর্থ ব্যয় তো বহুত দূরের কথা। তাই হিন্দু ছেলে মেয়েরা তেমন কোনো ধর্মীয় জ্ঞান না নিয়েই প্রথমে স্কুলে যায়, তারপর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। কিন্তু সেখানে তারা তাদের মুসলিম ক্লাসমেট, যারা প্রত্যেকেই একেকজন ইসলাম প্রচারক, তাদের কাছে প্রশ্নজিহাদের মুখোমুখী হয়, মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য এবং নিজের সনাতন ধর্মীয় জ্ঞানের অভাবে সেই সব হিন্দু ছেলে মেয়ে কখনোই মুসলমানদের সাথে ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে পেরে উঠে না। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, তারা সনাতন ধর্ম নিয়ে মুসলমানদের প্রশ্নের মুখে পরাজিত হয়, হেয় হয়, এভাবে সে এক সময় ভাবতে বাধ্য হয় যে সনাতন ধর্ম মনে হয় ভুয়া ধর্ম।

যখন কোনো হিন্দু ছেলে মেয়ে মনে করতে থাকে যে সনাতন ধর্ম ভুয়া ধর্ম, তখন সে সনাতন ধর্ম সম্পর্কে হীন্মন্যতায় ভুগে, সনাতন ধর্ম সম্পর্কে সে গর্ব হারায়, তখন সে আস্তে আস্তে ইসলামের দিকে ঝুঁকতে থাকে।

জামায়াত শিবিরের লোকজন যাদেরকে টার্গেট করে, প্রথমেই তারা তো তাদেরকে নিজেদের মেস বা কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে নিজেদের আয়ত্বে নিয়ে নেয়, এরপর সেই ছেলে মেয়ের উপর তারা চালায় নিরন্তর ব্রেইনওয়াশ, এতে তারা তাদেরকে বোঝায়, হিন্দুধর্ম হলো ভুয়া ধর্ম, ইসলাম হলো শ্রেষ্ঠ, ইসলাম গ্রহন না করলে কেউ কোনোদিন বেহেশতে যেতে পারবে না, সে চিরদিন দোযখের আগুনে জ্বলতে থাকবে ইত্যাদি ইত্যাদি। সনাতন ধর্মীয় জ্ঞানের অভাবে এই সব কথাবার্তাকে সেই সব হিন্দু ছেলে মেয়েরা প্রথমত প্রতিরোধ করতে পারে না, আবার দ্বিতীয়ত তারা তাকে নানা ভাবে সাহায্য করে বলে, তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো স্টেপ বা তাদের বিরুদ্ধে কোনো কথাও বলতে পারে না, এভাবে চলতে থাকে মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর।

টার্গেট যদি কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক হিন্দু মেয়ে হয়, তাহলে তার সাথে কোনো মুসলমান ছেলেকে লাগিয়ে দেওয়া হয় তাকে প্রেমের বাঁধনে জড়িয়ে ফেলার জন্য, ঐ মেয়ে যদি এসব পরিকল্পনা না বুঝে ঐ মুসলমান ছেলের প্রেমের ফাঁদে পা দেয়, তাহলেই কেল্লাফতে। তারপর ঐ মেয়েকে ঐ মুসলমান ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে তাকে মুসলমান বানিয়ে নেয়। মেয়ের বয়ষ ১৮+ হওয়ায়, মেয়ের বাপ মা তখন কিছুই করতে পারে না। কারণ, প্রেমে অন্ধ মেয়ের কাছে তখন জরুরী তার মুসলমান প্রেমিকের বিছানায় গিয়ে কাপড় খোলা, বাপ মা ভাই বোন তখন তার কাছে জরুরী কোনো বিষয় নয়। কিন্তু একটি ছেলে বা মেয়েকে জন্ম দিতে, তাকে বড় করে তুলতে বাপ মাকে যে কী পরিমাণ কষ্ট করতে হয়, কী পরিমাণ ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, সেটা অকল্পনীয়; লাভজিহাদের শিকার হওয়া মেয়েরা এই সব কিছু ভেবে দেখে না, তখন তাদের কাছে ভালোবাসার মানুষের সাথে যৌনসুখ প্রধান হয়ে দাঁড়ায়। এই ধরণের একটি ঘটনা জামায়াত শিবিরের লোকজন ঘটিয়েছিলো গ্রাম থেকে রাজশাহী শহরে কোচিং করতে আসা একটি মেয়ের সাথে। 

যা হোক, ছেলে মেয়েদের মাধ্যমে দুঃখ পেতে না চাইলে, ছোট বেলা থেকেই শুধু তাদেরকে ধর্মশিক্ষা দেওয়া ই যথেষ্ট নয়; আমি মনে করি, একটি ছেলে বা মেয়েকে ছোট থেকে বড় করে তুলতে যে পরিমাণ কষ্ট স্বীকার করতে হয়, যে পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হয়, ছোট থেকেই বাচ্চাকে সেসব জানানোও জরুরী, তাতে সে তার জন্য তার বাপ মায়ের যে অবদান, সেটা বুঝতে পারবে এবং পিতা মাতা কষ্ট পায় এমন কোনো কাজ সে কখনো করবে না।

যা হোক, আবার টার্গেট মেয়ে, প্রাপ্তবয়স্ক না হলে, তাকে প্রেমের ফাঁদে না ফেলে শুধু ব্রেইনওয়াশ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় এবং ক্ষেত্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত হলে সেই মেয়েকে কোনো আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় নিয়ে গিয়ে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়, এই ধরণের একটি ঘটনা মুসলমানরা ঘটিয়েছে বাংলাদেশের ময়মনসিংহে, এবং অন্যটি ভারতের মেদিনীপুরে, ক্লাস নাইন পড়া মেয়েদের সাথে। মেদিনীপুরের মেয়েটি ইসলাম গ্রহন করে বাড়ি ছাড়ার পর জঙ্গীদলে নাম লেখায় এবং শেষ পর্যন্ত এই ২০২০ সালেই বাংলাদেশে জঙ্গী কার্যক্রমের জন্য গ্রেফতার হয়। একে কিভাবে ব্রেইনওয়াশ করা হয়েছিলো একবার চিন্তা করুন, নিজের সুন্দর জীবনযাপনের পরিবর্তে সে ইসলামের জন্য কাজ করে মরতে পর্যন্ত উদ্যত হয়েছিলো।

আবার টার্গেট যদি মেয়ে না হয়ে ছেলে হয়, সেই ছেলেকে তো মুসলামানরা নানারকম আর্থিক সুবিধা তো দেয় ই, যেটা আগেই বলেছি, তারপর ব্রেইনওয়াশের মাধ্যমে ক্ষেত্র প্রস্তুত হলে, তাকে এই অফার দেওয়া্ হয় যে, সে যদি ইসলাম গ্রহন করে তাহলে তাকে ভালো চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে, যাতে সে ভালোভাবে জীবন যাপন করতে পারবে। চাকরি এই দূর্মূল্যের বাজারে এটা নিশ্চয় একজন ছেলের কাছে অনেক লোভনীয় অফার, নিজের পেট চালানোর জন্য যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই ধরণের অফার অনেকেই ফেলতে পারে না, তখন তারা ইসলাম গ্রহন করে ফেলে। ফটোপোস্টে যে দুটি ছেলের ছবি দেখছেন, এরা চট্টগ্রামের এবং এরা জামায়াত শিবিরের এই সব পরিকল্পনায় ফেঁসেই ইসলাম গ্রহন করেছে বলে আমার ধারণা।

বাংলাদেশের স্বনামধন্য ইংরেজি শিক্ষার কোচিং সেন্টার, সাইফুরসও চাকরির লোভ দেখিয়ে হিন্দু ছেলেদেরকে ধর্মান্তর করেছে বা করে বলে খবর জানি। 

সুতরাং পড়াশোনার জন্য ছেলে মেয়েকে যখন বাড়ির বাইরে রাখতে বাধ্য হবেন, তখন খেয়াল রাখবেন, কোনোভাবেই সে জন্য মুসলমানদের খপ্পরে না পড়ে। যদি কোনো মুসলমান, আপনার ছেলে বা মেয়েকে কোনোরকম সাহায্য করে বা করতে উৎসাহিত হয়, তাহলেই বুঝবেন, এর পেছনে তাদের গভীর কোনো ষড়যন্ত্র আছে। একটা কথা মনে রাখবেন, স্বার্থ ছাড়া এই পৃথিবীতে কেউ কারো জন্য কিছু করে না। সুতরাং নিজের আত্মীয় স্বজন ছাড়া কেউ যদি আপনার জন্য কিছু করে, তার পেছনে অবশ্যই কোনো না কোনো উদ্দেশ্য থাকবে। 

প্রতিটি মুসলমান খুব ছোটবেলা থেকেই এই শিক্ষা পায় যে- সে যদি একজন অমুসলিম অর্থাৎ হিন্দুকে মুসলমান বানাতে পারে, শুধু সে ই নয়, তার তিন পুরুষ বা ৭ পুরুষ বিনা বিচারে বেহেশতে যেতে পারবে। এই বেহেশতের লোভেই মুসলমানরা, হিন্দুদেরকে মুসলমান বানাতে একেবারে মরিয়া। এর জন্য মিথ্যা প্রতারণা ধোকাবাজি কোনো কিছু করতেই মুসলমানরা বাদ রাখে না। আর কাউকে মুসলমান বানানোর জন্য এসব মিথ্যা প্রতারণা ধোকাবাজি করলে ইসলাম মতে, মুসলমানদের কোনো পাপও হয় না। তাই প্রতিটি মুসলমানের একটি সুপ্ত স্বপ্ন, সারাজীবনের চেষ্টায় একজন হিন্দুকে হলেও সে মুসলমান বানাবে, আর সেই হিন্দুটি যদি মেয়ে হয়, তাহলে তো সোনায় সোহাগা, হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করে যেমন তাকে ভোগ করা যায়, তেমনি তার পেটে মুসলমানের বাচ্চার জন্ম দিয়ে ইসলামেরও আবাদ করা যায়, এমনটা হলে ৩ বা ৭ পুরুষের জন্য বেহেশতের ৭২টি করে হুর এক্কেবারে পাক্কা।

প্রেম-ভালোবাসায় জড়িয়ে হিন্দু ছেলে মেয়েদের মুসলমান হয়ে যাওয়া, ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ প্রসেস, যদিও এর পেছনেও মুসলমানদের ব্যাপক বিস্তৃত পরিকল্পনা থাকে; কিন্তু প্রেম ভালোবাসা ছাড়াই কোনো হিন্দু ছেলে মেয়েকে ইসলামে ধর্মান্তর করা মুসলমানদের একেবারে "গভীর জলের মাছ" বা "সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা"র প্রসেস, যেখানে শিকার হিন্দু পরিবার, সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটার আগে কোনো কিছুই জানতে পারে না, আর হিন্দু সমাজের ধরণটাই এরকম যে- কোনো ছেলে মেয়ে যদি একবার মুসলমান হয়ে যায়, সেটা নিয়ে আর কিছু করতে পারে না বা ক'রে মুসলমানদের সাথে পেরে উঠে না। তাই Prevention is better than cure এর মতো ইসলামে আক্রান্ত হওয়ার পূর্বেই যদি তা প্রতিরোধ করা যায়, সেটাই Better নয় Best.

তাই ইসলামকে প্রতিরোধ করার জন্য খুব ছোট বেলা থেকেই ছেলে মেয়েদেরকে ধর্মশিক্ষা দিতে হবে, এজন্য বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে যেতে হবে, তবে রামকৃষ্ণ মিশন এবং অনুকূল ঠাকুরের অসৎসঙ্গে কখনো নিয়ে যাওয়া যাবে না; কারণ, ওসব জায়গায় গেলে আপনার ছেলে মেয়ে এটা শিখবে যে সকল ধর্মই সমান। আর কোনো ছেলে মেয়ে যদি এই শিক্ষা পায়, তাহলে সে বড় হয়ে মুসলিম ছেলে মেয়েকে বিয়ে করে মুসলমান হতে দ্বিধাবোধ করবে না, যেহেতু আপনি তাকে নিজেই সকল ধর্ম সমানের শিক্ষা সেই ছোটবেলা থেকেই দিয়েছেন।

ছোটবেলা থেকেই প্রকৃত সনাতনী ধর্মশিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি, ছেলে মেয়েরা্ যখন বড় হবে, তখন তাদের মনোভাব, আচরণ এবং প্রতিটি কথাবার্তাকে খুব গভীর মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। কারণ, তার মধ্যে যদি কোনো আবর্জনা (ব্যক্তিগত মতবাদ) ঢুকে যায়, সেটা বিভিন্ন ইঙ্গিতে প্রকাশ পাবে, যেহেতু কারণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি একটি শব্দও উচ্চারণ করে না।

এরপর ছেলে মেয়ে যখন কোনো কারণে বাড়ি থেকে বাইরে যাবে, তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে, তাদের আর্থিক প্রয়োজন অবশ্যই বাড়ি থেকে ভালোভাবে মেটাতে হবে। কারণ, অর্থের প্রয়োজন জীবনে খুব বড় একটা সমস্যা, এই সমস্যায় ছেলে মেয়েরা যাতে না পড়ে, সেটা খুব ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে, যেহেতু অর্থের জন্যই মানুষ বৈধ-অবৈধ, মন্দ-খারাপ সবকিছু করে বা করতে বাধ্য হয়।

জামায়াত শিবিরের ধর্মান্তরকরণ কৌশলের প্রথম স্টেপ যেহেতু আর্থিকভাবে দুর্বল ছেলে মেয়েদেরকে টার্গেট করা, সেহেতু আপনার ছেলে মেয়ের যদি কোনো আর্থিক দুর্বলতা না থাকে, তাহলে জামায়াত শিবিরের পরিকল্পনা প্রথমেই ব্যর্থ হবে। এজন্য ছেলে মেয়ের কোথায় কত টাকা লাগবে, সেটা নিজে গিয়ে খোঁজ নিতে হবে এবং নিজে সেই বিলগুলো পেমেন্ট করতে হবে। ছেলেমেয়েদের হাতে সেই টাকাগুলো না দেওয়াই মঙ্গল, এতে তারা সেই টাকা অন্য খাতে খরচ করে ফেলতে পারে এবং মাসের পর মাস এমনটা করে শিবিরের অর্থের ফাঁদে পড়তে পারে।

পড়াশোনার খাতিরে বাড়ির বাইরে যদি ছেলে মেয়েদেরকে রাখতেই হয়, তাহলে মুসলমানদের সাথে তাকে না রাখাই ভালো; কারণ, কাছাকাছি থাকায় মুসলিম ছেলে মেয়েরাই, হিন্দু ছেলে মেয়েদের ব্রেইনওয়াশ করার বা প্রশ্নজিহাদের সুযোগ পায়। তাই ছেলে মেয়েদেরকে অবশ্যই মুসলিম ছেলে মেয়েদের সাথে না রেখে হিন্দু ছেলে মেয়েদের সাথে রাখতে হবে।

বিয়ের পূর্বেই ছেলে মেয়েকে যদি বাড়ির বাইরে রাখতে বাধ্য হতে হয়, তাহলে প্রতিমাসে সম্ভব না হলেও তিন মাস পর পর তাদেরকে বাড়িতে আনতে হবে, দীর্ঘদিন ছেলে মেয়েরা বাড়ির বাইরে থাকলে তাদের ধর্মান্তরের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, আমার গ্রামেই এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে, একটি ছেলে কাজের সূত্রে বাইরে গিয়ে দীর্ঘদিন বাড়ি আসে না, এরপর এক সময় জানা গেলো, যেখানে সে কাজ করতো, সেখানেই সবাই মুসলিম ছিলো, ও একাই হিন্দু ছিলো, সবাই মিলে ওকে প্রশ্নজিহাদের মুখে ফেলে, হিন্দুধর্মকে ভুয়া প্রমাণ করে মুসলমান বানিয়ে ফেলেছে এবং তারপর এক মুসলিম মেয়ের সাথে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে, সেই ছেলে আর কোনো দিন বাড়ি আসে নি। এরপর যখন সে অকালে মারা যায়, শুধু সেই খবরটি জানা গিয়েছিলো। তাই দীর্ঘদিন কোনো ছেলে মেয়েকে বাড়ির বাইরে রাখা যাবে না, মাঝে মাঝেই তাকে বাড়িতে আনতে হবে।

আশা করছি- উপরে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করলাম, সেগুলো ফলো করলে বা মেনে চললে, আপনার ছেলে বা মেয়ে জামায়াত শিবিরের ফাঁদে পড়বে না, আর সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে আপনাকে ইহকালে কষ্ট এবং পরকালে নরকভোগী করবে না।

একটা কথা মনে রাখবেন জামায়াত শিবিরের টাকার কোনো অভাব নেই, এরা দেশেই যেমন প্রতি বছর প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে, তেমনি মধ্যপ্রাচ্য থেকেও প্রতিবছর প্রচুর টাকা এদের হাতে আসে ইসলামের প্রসারের জন্য। 

তাই জামায়াত শিবিরের পরিকল্পনা সম্পর্কে যদি আপনি না জানেন এবং সতর্ক না থাকেন, তাহলেই আপনি মরেছেন।

হিন্দু সমাজ ধ্বংস করতে জামায়াত শিবিরের এই পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে পেরে বিষয়টি আপনাকে জানালাম, আপনার কর্তব্য হচ্ছে অন্য একজন হিন্দুকে এই বিষয়ে সচেতন করা। সেটা যদি আপনি না করেন, আপনি হিন্দুধর্ম ও সমাজের ক্ষতির জন্য দায়ী থাকবেন এবং তার জন্য ঈশ্বরের কাছে আপনাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে; কারণ, যে ব্যক্তি সমাজ নিয়ে ভাবে না, তার আসলে কোনো ধর্মকর্মই হয় না।

জয় হিন্দ।

জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ।

Tuesday, 25 August 2020

নিরামিষভোজী হিন্দু যুবকদের উদ্দেশ্যে এই পোস্টটি নিবেদিত-


নিরামিষভোজী হিন্দু যুবকদের উদ্দেশ্যে এই পোস্টটি নিবেদিত-

আমার বয়ফ্রেন্ড মুসলিম, কারণ আমি মনে করি বিপদে পড়লে ও আমাকে সেভ করতে পারবে :

তোমার বয়ফ্রেন্ড মুসলিম কেনো ? 

এই প্রশ্নের জবাবে নির্দ্বিধায় উপরের এই কথাগুলো বলেছিলো কোলকাতার এক মেয়ে। মেয়েটির এই মন্তব্য শোনা বা জানার পর আমরা হিন্দুরা তার সম্পর্কে নানা বাজে মন্তব্য ভাবতে বা করতে পারি, কিন্তু তাতে যা বাস্তব ও সত্য তা উল্টে যাবে না। সত্যিই কি আমরা হিন্দুরা, আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে পারি বা পেরেছি ?

ইতিহাসের কিছু ঘটনার দিকে চোখ ফেরানো যাক :

সিন্ধুর রাজা দাহির, তার সেনাবাহিনীতে কিছু সংখ্যক মুসলমানকে চাকরি দিয়েছিলো, যা ছিলো তার সেনাবাহিনীর সৈন্য সংখ্যার প্রায় অর্ধেক । বিন কাশেম যখন সিন্ধু আক্রমন করে, তখন মুসলমানরা সিন্ধু আক্রমন করেছে বলে, মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই এই সূত্রে, দাহিরের মুসলমান সেনারা অস্ত্রসহ কাশিমের পক্ষে যোগ দেয়, মুসলমান সেনাদের এই বিশ্বাস ঘাতকতায় রাজা দাহির খুব সহজেই পরাজিত ও নিহত হয়। মুসলমানরা মৃত মেয়েদেরকেও ধর্ষণ করে এটা জানা বা শোনার পর রাজপরিবারের মেয়েরা আগুনে ঝাঁপ দিয়ে নিজেদেরকে শুধু নয়, নিজেদের দেহকেও শেষ করে দেয়, যে ঘটনা থেকে শুরু হয়, সতীদাহ নামক প্রথার উদ্ভব। কিন্তু দুই রাজকুমারী ও রানী মুসলমান সৈন্যদের হাতে জীবিত ধরা পড়ে। এই তিনজন সহ প্রায় ৬০ হাজার হিন্দু মেয়েকে যৌনদাসী হিসেবে বন্দী করে কাশিম তাদেরকে বাগদাদের খলিফার কাছে প্রেরণ করে। পরে এই মুসলমানরা এই হিন্দু মেয়েগুলোকে ধর্ষণ শেষে দাস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে এবং এই হিন্দু মেয়েগুলোই পরে মুসলমানদের মুসলিম বাচ্চা উৎপাদনের যন্ত্রে পরিণত হয়।

অনেকই জানেন, বর্তমান আফগানিস্তানের গজনীর সুলতান মাহমুদ ১৭ বার ভারত আক্রমন করে সোমনাথ মন্দির লুঠ করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গজনীতে লুঠ করে নিয়ে গিয়েছিলো। সেই সঙ্গে প্রত্যেকবার সে কমপক্ষে ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ দুই লাখ পর্যন্ত হিন্দু মেয়েদেরকে ক্রীতদাস হিসেবে বন্দী করে গজনীতে নিয়ে গিয়ে বিক্রী করে দিয়েছিলো। আর সেই মেয়েগুলো পরে মুসলমানদের শয্যাসঙ্গিনী হতে, তাদের সন্তান পেটে ধরতে, তাদেরকে জন্ম দিতে এবং তাদের লালন পালন করতে বাধ্য হতো।

এরপর ভারতের প্রত্যেকটা মুসলিম শাসকের সময়, যখন খুশি তখন মুসলমানরা হিন্দু জনবসতির উপর আক্রমন ও হামলা করে তাদের ধন সম্পদ লুঠ করা ছাড়াও হিন্দু মেয়েদেরকে ধরে নিয়ে যেতো। এই অত্যাচার নির্যাতনের হাত থেকে মেয়েদেরকে রক্ষার করার জন্যই উদ্ভব হয় বাল্যবিবাহ রাত্রীকালিন বিবাহের। মুসলমান শাসকদের তত্ত্বাবধানে কাফের মারার সূত্রে মুসলমানরা যখন হিন্দু জনবসতিগুলোর উপর হামলা করতো তখন হিন্দু পুরুষরা প্রাণভয়ে ঘর বাড়ি বউ ছেলে মেয়ে ছেড়ে জঙ্গলে পালিয়ে যেতো এবং পরে ফিরে এসে দেখতো বউ মেয়েদেরকে মেয়েরা উঠিয়ে নিয়ে গেছে।

মুসলিম শাসনের হাজার বছর ধরে হিন্দুদের নপুংসকতা ও নির্বুদ্ধিতার কারণে এভাবেই নির্যাতিতা হয়েছে হিন্দু মেয়েরা।

নিকট অতীতে, ভারতে গান্ধীযুগ শুরু হলে, ১৯২১ সালে কেরালা্য় মুসলমানরা ব্যাপকভাবে হিন্দুদের উপর হামলা আ্ক্রমন শুরু করে হত্যা, ধর্ষণ ও ধর্মান্তর শুরু করলেও ২০% মুসলমানদের বিরুদ্ধে ৬০% হিন্দু কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে নি, মেয়েদেরকে হতে হয়েছে ধর্ষিতা নির্যাতিতা।

১৯৪৬ সালে কোলকাতার ডাইরেক্ট এ্যাকশনের সময়ও কি আমরা আমাদের মেয়েদেরকে রক্ষা করতে পেরেছি? এক হিন্দু মেয়ের পরিবার মুসলমানদের আক্রান্ত হওয়ার পর, তারই প্রতিবেশি মুসলমানের কাছে আশ্রয় চাইলে তাকে ডাইরেক্ট এই প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছিলো যে, মুসলমান হলে তাকে রক্ষা করা হবে। সেই সময় এই ধরণের ঘটনা যে শত শত ঘটেছিলো তাতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই। কারণ, ১৯৪৬ সালের ঘটনায় কোলকাতাতেই শুধু নিহত হয় প্রায় ২০ হাজার হিন্দু।

১৯৪৬ সালের নোয়াখালির হিন্দু নিধনযজ্ঞের কথা যারা জানেন না, তাদের জন্য বলছি, ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী সেই হিন্দু নিধনযজ্ঞে থেকে ৫২ বছর বয়সী এমন কোনো হিন্দু মেয়ে ছিলো না, যাকে মুসলমানরা ধর্ষণ করেছিলো না। 

এরপর ১৯৫০, যখন মুসলমানদের ধর্ষণ ও অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেতে ফেব্রুয়ারি মাসে ৫০ লক্ষ হিন্দু, জমি-জমা, বাড়ী-ঘর সব ফেলে এক কাপড়ে পূর্ববঙ্গ থেকে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

এরপর ১৯৬৫, ভারত পাকিস্তানের এই যুদ্ধে পূর্ববঙ্গের অনেক হিন্দু মেয়ে নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থে মুসলিম ছেলেদের বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিলো।

এরপর ১৯৭১, যেখানে বাংলাদেশকে মুক্ত করার জন্য ভারতীয় হিন্দু সেনারা পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করেছে, সেই যুদ্ধে বাঙ্গালি মুসলমানরা হিন্দুদেরকে জোর পূর্বক ধর্মান্তর ও মেয়েদেরকে ধর্ষণ করার উৎসবে মেতে উঠেছিলো। সেই সময়ও কি পেরেছি আমরা আমাদের মেয়েদেরকে রক্ষা করতে ? আমরা বাংলাদেশি হিন্দুরা কি পেরেছি ২০০১ সালে পূর্ণিমার মতো মেয়েদেরকে মুসলমানদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষার করতে ? এই ২০১৬ তে এসেও আমরা হিন্দু যুবকরা আমাদের বাড়ির মেয়েদেরেকে রক্ষা করার জন্য কতটুকু বা কী করতে পারছি ?

এবার দেখা যাক পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা, মেয়েদেরকে রক্ষা করার জন্য কতটুকু বা কী করতে পেরেছে ?

ধানতলা, বানতলার গণধর্ষণের ঘটনায় আপনারা কোনোই প্রতিক্রিয়া দেখান নি। এই দুটি ঘটনায় পাইকারীভাবে মুসলমানরা ধর্ষণ করেছিলো হিন্দু মেয়েদেরকে। ক্যানিং, দেগঙ্গাসহ পশ্চিমবঙ্গের অসংখ্য জায়গায় মুসলমানদের দ্বারা হিন্দুরা আক্রান্ত হয়েছে, হিন্দুদের বাড়ী ঘর লুঠ হয়েছে, ধ্বংস হয়েছে মেয়েদের সাজানো সংসার, সব ক্ষেত্রে হিন্দু মেয়েরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়েছে, এসব দেখতে দেখতে তাদের এই উপলব্ধি হয়েছে যে, হিন্দুরা তাদের নিরাপত্তার জন্য কিছুই করতে পারবে না, এবং এই বিষয়টা এক সময় অনেক হিন্দু মেয়ের বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে। মেয়েরা শারীরিকভাবে পুরুষের চেয়ে কিছুটা দুর্বল বলে সব মেয়েই প্রথমত চায় শারীরিক নিরাপত্তা, আমরা কয়জন হিন্দু ছেলে মেয়েদেরকে সেই নিরাপত্তা দিতে সক্ষম ? 

হাজার বছরের এই সব ইতিহাস পর্যালোচনা করে এবং বর্তমানের বাস্তব অবস্থা দেখে কোনো মেয়ের মাথায় যদি এই বিশ্বাস ঢুকে যে তার জীবনের নিরাপত্তার জন্য তাকে কোনো মুসলিম ছেলের উপরই নির্ভর করতে হবে, তাহলে ঐ মেয়েকে মুসলমান ছেলের সাথে প্রেম এবং তাদেকে বিয়ে করার জন্য তাকে দোষ দেওয়া যায় কি ?

আবার কোনো মেয়ে এইসব ইতিহাস না জানলেও, শত শত বছর ধরে হিন্দু মেয়েদের জীবনে যে নিরাপত্তাহীনতার ভয় ঢুকে আছে, সেই কারণেও সে অনায়াসেও কোনো মুসলমান ছেলের সাথে প্রেম ও তাকে বিয়ে করতে পারে, সেক্ষেত্রেও তাকে কোনো দোষ দেওয়া যায় কি ?

আমরা হিন্দুরা সাত্ত্বিক জীবন যাপনের জন্য মাছ, মাংস পেঁয়াজ রসুন খাবো না, এভাবে শরীরের রক্তকে ঠাণ্ডা করে শরীরকে হীন দুর্বল করে নিজেদেরকে এক একটা নপুংসক বানাবো, তারপর বাড়িতে মুসলমানদের আক্রমন হলে, চোখের সামনে নিজের মা মেয়ে বউকে ধর্ষিতা হতে দেখেও প্রাণের ভয়ে চিৎকার করবো না, চুপ করে থাকবো এবং ভগবানকে ডেকে ডেকে বলবো, হে ভগবান তুমি আমাদের রক্ষা করো। ওরে নির্বোধ হিন্দু, যে হাতে অস্ত্র তুলে নেয় না এবং যার গায়ে শক্তি নেই, ভগবান তাকে সাহায্য করে না, সেটা কি তুই জানিস ?

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে পরমেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ কেনো অর্জুনকে গান্ডীব ধনুক হাতে নিয়ে যুদ্ধ করতে বলেছেন ?

যে কৃষ্ণ, গীতার বাণী বলার ও বিশ্বরূপ দেখানোর সময় যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত সবাইকে স্থির করে রাখতে পারেন, মাত্র বছর বয়সে যে কৃষ্ণ কালীয়নাগের মতো ভয়ংকর সাপকে জলের মধ্যে নেমে দমন করতে পারেন, ৭/৮ বছর বয়সে আঙ্গুলের উপর পর্বতকে তুলে ধরতে পারেন, অলৌকিক ক্ষমতা বলে দুর্যোধনের কারাগার থেকে নিজেকে মুক্ত করে দুঃশাসনকে বন্দী করতে পারেন, সেই কৃষ্ণ কি পারতো না তার মায়া বলে কুরুবংশের সকল অধর্মীকে বিনাশ করতে ? পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে পাণ্ডবদেরকে দিয়ে যুদ্ধ করিয়ে এই লোক শিক্ষা দিলেন যে, যুদ্ধ করতে হবে নিজেদেরকেই। কিন্তু সেই শিক্ষা আমরা হিন্দুরা ভুলে গিয়ে শুধু চোখের জল ফেলছি আর এই বিশ্বাস করে বসে আছি যে, কেউ একজন এসে আমাদেরকে উদ্ধার করবে! 

ওরে নির্বোধের দল, কোনো অবতার আসার অপেক্ষায় না থেকে নিজেকেই অবতার ভাব, হিন্দু জাতিকে শক্তিশালী কর, শক্তিশালী হওয়ার পথ দেখা, তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়া, তাদেরকে রক্ষা কর; তারপর দেখ, যে মেয়ে তার নিরাপত্তার জন্য হিন্দুদের উপর বিশ্বাস রাখতে না পেরে মুসলমান ছেলের সাথে প্রেম করছে এবং তাকে বিয়ে করার কথা ভাবছে, সেই মেয়েই এসে তোর পায়ে গড়াগড়ি খাবে, হিন্দু সমাজ তোকেই অবতার রূপে পূজা করা শুরু করবে।

জয় হিন্দ।

জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ।

Monday, 24 August 2020

শুধু কন্যার পিতা মাতার করুণ পরিণতি :


শুধু কন্যার পিতা মাতার করুণ পরিণতি :

হিন্দু সমাজে কিছু দম্পতি আছে, যাদের চিন্তা-ভাবনা এতটাই ফার্স্ট, যারা চীনের এক সন্তান নীতির এত ঘোর সমর্থক, যারা দেশের জনসংখ্যা কমাতে এত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে- সন্তান না থাকলে লোকে আঁটকুড়ো বলবে, সকালে উঠে লোকজন তাদের মুখ দেখতে চাইবে না, এই ভয়ে- কোনরকমে একটি সন্তান হওয়ার পর, সেই সন্তান যদি কন্যাও হয়, দ্বিতীয় সন্তানের কথা আর চিন্তা করে না। এদের কিছু এতই মূর্খ, কিছুর আত্মবিশ্বাস এতই দুর্বল, আবার কিছু এতই অলস যে, এরা ভাবে একটিই যথেষ্ট, আর দরকার নেই; আর অন্যরা ভাবে আরেকটি সন্তান হলে খাওয়াবে কি বা মানুষ করবে কিভাবে ? এই ভাবনা থেকে নিজেদের আঁটকুড়ো বা বাঁজা বদনাম ঘুচাতে কোনরকমে একটি সন্তানের জন্ম দিয়ে, সেই সন্তান মেয়ে হলেও দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেয় না, এদের যে কী পরিণতি হয়, সেটাই আলোচনা করবো এই প্রবন্ধে- 

মানুষের সন্তান জন্ম দেওয়ার পার্থিব উদ্দেশ্যেই হলো- নিজের বংশ রক্ষা এবং বৃদ্ধকালের অবলম্বন। যদি কারো একটি মাত্র সন্তান হয় এবং সেটা কন্যা হয়, তাহলে তার এই দুই উদ্দেশ্যের কোনটাই পূরণ হয় না। দুটো ফটোপোস্টের একটিতে দেখুন- একমাত্র কন্যাকে বিয়ে দেওয়ার পর, বৃদ্ধ পিতা মাতা বাধ্য হয় মেয়ে জামাইয়ের বাড়ি গিয়ে থাকতো, উপায় তো নেই, বৃদ্ধ বয়সে তারা তো পরিশ্রম করে টাকা পয়সা আয় করতে পারবে না, আবার অসুস্থ হলেও সেবা যত্ন করার কোনো লোক তাদের নাই। তাই আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে মেয়ে জামাইয়ের বাড়ি গিয়ে উঠা। মনে রাখবেন, বিয়ের পর কোনো ছেলের শ্বশুড় বাড়িতে গিয়ে থাকা বা উঠা যতট অসম্মানের, ঠিক তেমনি বৃদ্ধ পিতা মাতার, মেয়ে জামাইয়ের বাড়িতে গিয়ে থাকাটাও ততটাই অসম্মানের। একমাত্র মেয়ে তো চাইবেই, বাপ মা এসে তার কাছে থাকুক, কিন্তু জামাই যদি না চায় বা শ্বশুড় শাশুড়িকে টানার মতো আয় রোজগার যদি জামাইয়ের না থাকে, তাহলে জামাই তাদেরকে দেখা শোনা করবে কিভাবে ? আর স্বামীর মতের বিরুদ্ধে গিয়ে সংসার করা কি কোনো মেয়ের পক্ষে সম্ভব ?

নবদ্বীপ রেলস্টেশনে নির্বাসন পাওয়া এই বৃদ্ধ দম্পতির ক্ষেত্রে ঠিক এই ঘটনা ই ঘটেছে; হয় তাদের জামাই অমানুষ, সে চায় নি অসহায় শ্বশুড় শাশুড়িকে দেখাশোনা করতে; না হয় সে অভাবী, তার ক্ষমতা নাই তাদেরকে ভরণপোষণ করতে। তাই তাদের এই করুণ পরিণতি, তাদের কোনো ঠাঁই নেই, ক্ষুধা লাগলে খাবার নেই, রোগব্যাধিতে ঔষধ পথ্যের ব্যবস্থা নেই। কিন্তু এই পরিণতি তাদের হতো না, যদি তাদের একটি ছেলে থাকতো। অনেকে বলতে পারেন, ছেলে থাকলেই যে বাপ মাকে ভাত দেবে বা দেখাশোনা করবে, তার কী গ্যারান্টি ? ছেলের কাছে বাপ মা যদি ভাত না পায়, সেটা তাদের কর্মের ফল, ছেলেকে যদি সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারে, তাহলে সেই ছেলে অবশ্যই বাপ মাকে দেখা শোনা করবে।

আর বাপ মাকে দেখা শোনা করে না, এমন ছেলে শতকরা ২/১ জন হতে পারে, এতে শতকরা ৯৮/৯৯ জনের ভয় পাওয়ার কারণ কী ? নিজের নির্বুদ্ধিতাকে ঢাকার অজুহাতও মানুষের কাছে থাকে; ছেলে, বাপ মাকে দেখবে না, এই ভয়ে যদি ছেলের জন্ম না দেয়, তাহলে প্রথম সন্তান ছেলে হলে তাকে কি ফেলে দেয় ? বরং প্রথম সন্তান ছেলে হলে তো সবাই একটু বেশিই খুশি হয় এই ভেবে যে- এই সন্তান তাদের বৃদ্ধ বয়সের অবলম্বন হবে এবং বংশ রক্ষা করবে। পুত্র সন্তানই পিতা মাতার অবলম্বন এবং এটাই প্রকৃতির নিয়ম, একাধিক সন্তান না নিয়ে পুত্র সন্তান জন্মের সেই সুযোগকে আপনি বাধাগ্রস্ত কেনো করছেন, আপনারা কি নিশ্চিত যে আপনার ছেলে বৃদ্ধ বয়সে আপনাদেরকে দেখবেই না ? যদি আপনারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত থাকেন, তাহলে ভাবুন যে আপনারা কত খারাপ পিতা মাতা, সন্তানকে সুশিক্ষিত করে বড় করে তোলার কোনো আত্মবিশ্বাসই আপনাদের নেই।

যা হোক, প্রথম সন্তান মেয়ে হলে, দ্বিতীয় সন্তান যে ছেলে হবে তারও তো কোনো গ্যারান্টি নেই। যারা এমনটা মনে করে, তাদের সামাজিক বাস্তবতার কোনো জ্ঞানই নেই। সমাজের শতকরা ৮০ থেকে ৯০ দম্পতির প্রথম সন্তান ছেলে হলে দ্বিতীয় সন্তান মেয়ে হয়, আবার প্রথম সন্তান মেয়ে হলে দ্বিতীয় সন্তান ছেলে হয়। ১০ থেকে ২০% দম্পতির শুধু ছেলে হয় বা শুধু মেয়ে হয়। সবমিলিয়ে সমাজে ছেলে মেয়ের সংখ্যা সাধারণভাবে প্রায় সমান থাকে। তাহলে প্রথম সন্তান মেয়ে হলে দ্বিতীয় সন্তান কেনো আপনি নেবেন না ? প্রথমটা ছেলে হলে দ্বিতীয়টা মেয়ে হলেও তো কোনো সমস্যা নেই, আপনি সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করলেন। আর প্রথমটা মেয়ে হওয়ার পর দ্বিতীয়টা মেয়ে হলেও কি খুব অসুবিধা ? যদিও শুধু কন্যা সন্তানের জনক জননীর শেষ জীবন খুব একটা ভালো যায় না, সামাজিক বাস্তবতার কারণে, তারপরও তো একটা বিকল্প থাকলো। যদি বড় মেয়ে জামাই দেখাশোনা না করে, তাহলে দ্বিতীয় অপশান হিসেবে তো ছোটো মেয়ে জামাই থাকলোই। একজন অক্ষম বা অমানুষ হলেও দ্বিতীয়টা তো সক্ষম বা মানুষ হতে পারে। আর সব সন্তানই যে পূর্ণ আয়ু ভোগ করে মারা যাবে, তার তো কোনো গ্যারান্টি নেই; মানুষ যেকোনো বয়সে মারা যেতে পারে, এক্ষেত্রে সন্তান যদি একটা হয়, সেটা ছেলে হোক বা মেয়ে, সে যদি ইয়াং বয়সেই মারা যায়, তাহলে সেই পিতা মাতার ভবিষ্যৎ কী বা ভবিষ্যৎ গতি কী ?

দ্বিতীয় ফটোপোস্টে দেখুন- এই অধ্যাপক একটি মাত্র কন্যার জন্ম দিয়ে, একটিই যথেষ্ট বিবেচনা করে দ্বিতীয়র কোনো চিন্তা করে নি। মেয়ে বড় হলে তাকে বিয়ে দিতেই হবে এবং সে শ্বশুড় বাড়ি চলেই যাবে, এই অধ্যাপকের কন্যাও তার ব্যতিক্রম নয়, বিয়ের পর সে হয়তো স্বামীর সাথে বিদেশে বা কর্মসূত্রে বিদেশে থাকে। অন্যদিকে তার স্ত্রীও মারা গেছে, ফলে সে এই বয়সে এসে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছে। নিঃসঙ্গতা একটা ভয়াবহ বিষ, যা মানুষকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়, এই অধ্যাপকও তার শিকার। তাই এই ৭২ বছর বয়সে সে আবার বিয়ে করেছে, কিন্তু এটি কি তার সঠিক সিদ্ধান্ত ?

শাস্ত্রে পরিষ্কার করে বলা আছে- বৃদ্ধের তরুণী মেয়েকে বিয়ে করা চলবে না। যদি কোনো বৃদ্ধ, কোনো তরুনীকে বিয়ে করে, তাহলে তার জীবনে অশান্তি বা কষ্ট মাস্ট। এর মূল কারণ হলো- যৌনতা। একজন তরুণীর যে যৌনক্ষুধা, সেটা একজন সক্ষম যুবকই মেটাতে পারে, এমনকি ২০/২৫ বছরের একজন তরুণীর যৌনক্ষুধা মেটানোর ক্ষমতা ৪০/৪৫ বছরের একজন পৌঢ় পুরুষেরও নেই। সেখানে ৭২ বছরের এই বৃদ্ধ কিভাবে এমন তরতাজা যুবতীর যৌনক্ষুধা মেটাবে ? এই বিষয়টিই এই বৃদ্ধের জীবনে যে ঘোর অন্ধকার টেনে নিয়ে আসবে, এতে আমার কোনো সন্দেহ নেই।

মানুষের প্রতিটা সম্পর্ক স্বার্থের উপর নির্ভরশীল। আমার ধারণা এই তরুণী, এই বৃদ্ধকে বিয়ে করেছে তার সম্পত্তির জন্য। তরুণীর হিসেব, ৭২ বছরের এই বুড়ো আর কতদিন বাঁচবে, সে মরলেই স্ত্রী হিসেবে সমস্ত সম্পত্তি তার। বুড়ো মরলেই সমস্ত সম্পত্তি তার, এরপর সে তার কোনো পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করে সুখে কাল কাটাবে। কিন্তু বুড়ো মরার আগেই এই মেয়েটি যা করবে, তাহলো- এই মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডকে দিয়ে নিয়মিত যৌনক্ষুধা মেটাবে, যেটা এই বৃদ্ধ এক সময় জেনে যাবে, কিন্তু কিছু করতে পারবে না, মনের কষ্ট তাকে মনেই পুষে রাখতে হবে এবং গুমড়ে গুমড়ে মরতে হবে। এমনও হতে পারে, এই তরুণী স্ত্রী, তার বৃদ্ধ স্বামীর বাড়িতেই তার পছন্দের পুরুষের সাথে যৌনমিলন করবে, এতে যদি ঐ বৃদ্ধ কোনো বাধা দেয়, প্রথমত সে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হবে এবং খুব বেশি সমস্যা সৃষ্টি করলে সে খুন হয়ে যাবে। তার মানে ঘটনা যেদিক দিয়ে ঘটুক, শাস্ত্রের বাণী অমান্য করায়, এই বৃদ্ধ অধ্যাপকের জীবনে কষ্টের দিন শুরু হলো বলে।

৭২ বছর বয়সে কোনো পুরুষের যৌনশক্তি থাকা বলতে গেলে এককথায় অসম্ভব। আর যৌনশক্তি ছাড়া স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক কখনো টিকে না। আমি একজনকে জানি, যার ডায়াবেটিস ছিলো বলে সে যৌনমিলনে ছিলো অক্ষম, কিন্তু তার স্ত্রী হঠাৎ এ্যাকসিডেন্টে মারা যাওয়ায়, তার দুই ছেলেকে এবং সংসার দেখাশোনার জন্য সে আরেকটি বিয়ে করে, যদিও সেই স্ত্রী ছিলো যুবতী নয়, মধ্যবয়স্ক, তারপরও বাসর রাতে সে স্যাটিসফায়েড হয় নি বলে পরের দিনই তাকে তালাক দিয়ে চলে গেছে। গৌন উদ্দেশ্যে যা ই থাকুক, বিয়ের মূখ্য উদ্দেশ্য হলো যৌনতা, এই যৌনতা যদি ঠিক মতো না হয়, সেই বিয়ে কখনো সুখের হয় না, হবে না; বরং এই ধরণের বিয়ে জীবনে কঠিন ট্রাজেডি ডেকে আনতে পারে, যেটা ঘটতে চলেছে ঐ বৃদ্ধ অধ্যাপকের জীবনে। বৃদ্ধ বয়সে তরুনী মেয়েকে বিয়ে করে এই অধ্যাপক যেমন খবরে এসেছে, তেমনি সে যে আবারও কোনো দুঃখজনক ঘটনার মাধ্যমে খবরে আসবে তাতে আমার কোনো সন্দেহ নেই এবং সেটা খুব শীঘ্রই।

ঐ অধ্যাপক যে নিঃসঙ্গতা কাটাতে এই বিয়ে করেছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু ঐ তরুণীর উদ্দেশ্যে শুধু ঐ বৃদ্ধের নিঃসঙ্গতা দূর করা নয়, তার নিশ্চয় অন্য কোনো পরিকল্পনা আছে, যার ইঙ্গিত উপরে আমি দিয়েছি; কারণ, কোনো মেয়ে এই ভাবে তার জীবনকে নষ্ট করবে, এটা অসম্ভব। প্রতিটা মেয়ে তার জীবনে যেমন পর্যাপ্ত যৌনসুখ চায়, তেমনি চায় পর্যাপ্ত ধন সম্পদ, যে ধন সম্পদ দিয়ে সে সুখে জীবন কাটাতে পারে, এই মেয়ের গোপন উদ্দেশ্য যে এই বৃদ্ধের ধন সম্পত্তি হাতানো, এটা অনেকটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।

এই বৃদ্ধ অধ্যাপক জীবনের শেষ যে ভুলটি করলো, সেটা হলো- এই তরুণীকে বিয়ে করা। সে যদি পঞ্চাশোর্ধ কোনো বয়স্ক বিধবাকে বিয়ে করে তার নিঃসঙ্গতা দূর করার প্ল্যান করতো, তাকে আমি কিছুটা বুদ্ধিমান মনে করতাম। কিন্তু তাকে আমি চুড়ান্ত বুদ্ধিমান মনে করতাম, যদি তার এই বয়সে নিঃসঙ্গতা দূর করার কোনো প্রয়োজনই না পড়তো।

এই কাণ্ডজ্ঞানহীন অধ্যাপক একটি মাত্র মেয়ের জন্ম দিয়ে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছে, যার ফলে তার জীবনে অন্য ঘটনাগুলো ঘটেছে। সে যদি একাধিক সন্তান নিতো, হতে পারতো, তাদের মধ্যে একটি ছেলে থাকতো, সেই ছেলে, এই বৃদ্ধের অবলম্বন হতো, এই ছেলেকে বিয়ে দিলে তার স্ত্রী বাড়ি আসতো, ছেলের বউ তার দেখাশোনা করতো, ছেলের বউয়ের সন্তান হলে, সেই সন্তান তার খেলার সঙ্গী হতো, এতেও তার নিঃসঙ্গতা কাটতো। তার মানে এই বৃদ্ধের যে নিঃসঙ্গতা, সেটা তার নির্বুদ্ধিতার ফল।

যে কন্যা, তার পিতা মাতার একমাত্র সন্তান, তার জীবনেও কোনো সুখ নেই। বিয়ের কথাবার্তা শুরু হলেই তার এই টেনশন শুরু হয়ে যায় যে বিয়ের পর সে যখন শ্বশুড়বাড়ি চলে যাবে, তখন তার বাপ মাকে কে দেখবে ? অথচ তার যদি এক বা একাধিক ভাইবোন থাকে, তাহলে তাকে কিন্তু এই দুশ্চিন্তা গ্রাস করে না। সে তো দেখতেই পায় যে, সে চলে গেলেও তার বাপ মাকে দেখার জন্য তার অন্য ভাই বা বোন রয়েছে, তখন সে নিশ্চিন্তে বিয়ে করে শ্বশুড় বাড়িতে গিয়ে সংসার করতে পারে।

যে ব্যক্তির একটি মাত্র কন্যা, সেই কন্যার সাথে ছেলের বিয়ে দিয়েও ছেলের বাড়ির লোকজন নানারকম সমস্যায় ভুগে। কারণে অকারণে তাদের ছেলের বউ তার বাপ মায়ের জন্য চিন্তা করে, টেনশন করে, এর ফলে সে নিজ সংসারে ঠিক মতো মনোযোগ দিতে পারে না, শ্বশুড় শাশুড়ি বা স্বামীর প্রতি ঠিকমতো খেয়াল রাখে না বা রাখতে পারে না। কারণ, বাপ মায়ের কিছু হলেও তাকে ছুটে আসতে হয় বাপের বাড়ি। এই ভাবে এক কন্যা সন্তানের জনক-জননীরা, শুধু নিজেদেরকে নয়, মেয়ের শ্বশুড়বাড়ির লোকজনকেও সমস্যাইয় ফেলে।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে- এক কন্যা সন্তানের জনক জননীর বৃদ্ধবয়সের অবলম্বন যেমন থাকে না, তেমনি তাদের মৃত্যু হলে বংশরক্ষারও কেউ থাকে না, বংশের বিলুপ্তি ঘটে। যার ফলে সমাজের জনসংখ্যা কমে, এভাবে সমাজের ক্ষয় হতে থাকে। তার মানে এক কন্যা সন্তানের জন্মদাতারা বাস্তবে সমাজের কোনো উপকারই করে না, সমাজের অপকার করে।

প্রকৃতির নিয়মই এটাই যে- আপনি যদি সমাজের উপকার করেন, আপনার বিপদে সমাজ আপনার পাশে দাঁড়াবে। এক কন্যা সন্তানের জনক জননীরা বাস্তবে সমাজের কোনো উপকার করে না বলে তাদের বিপদে সমাজও তাদের পাশে থাকে না, তাদের ঠাঁই হয় রেলস্টেশনে বা অবস্থা হয় নিঃসঙ্গ।

তাই আমার বন্ধুদের প্রতি আমার পরামর্শ- ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, দুটো সন্তান অবশ্যই আপনাকে নিতে হবে, তিন চারটি নিতে পারলে আরো ভালো। এই তিন চারটি সন্তানের মধ্যে একটি বা দুটি সন্তান অবশ্যই আপনার ছেলে হবে, তাতে আপনার বৃদ্ধ বয়সের অবম্বন যেমন হবে, তেমনি তার দ্বারা আপনার বংশ রক্ষাও হবে। আর যদি আপনার তিন চারটি সন্তানই ছেলে হয়, তারা সমাজের জন্য শক্তি হবে। সেই ছেলেদের দ্বারা আপনি যেমন সমাজের জন্য কাজ করতে পারবেন, তেমনি ছেলেদের দ্বারা অসহায় কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাকেও সাহায্য করতে পারবেন, তাদের মেয়েদের সাথে নিজের ছেলেদের যৌতুকবিহীন বিয়ে দিয়ে। তার মানে আপনার পুত্র শুধু আপনার শক্তি নয়, আপনার সকল শুভ কাজেরও সহায়ক।

প্রায় সব হিন্দু একাধিক সন্তানের জন্ম নিয়ে এই দুশ্চিন্তায় ভোগেন যে- তাদেরকে মানুষ করবে কিভাবে ? এই চিন্তাটা প্রায় সম্পূর্ণ অমূলক। যার ভাগ্য নিয়ে সে ই জন্ম নেয় এবং যে যা হবার তাই হয়। ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদীকে কোনো ধনী ও বিখ্যাত পরিবারে জন্ম নিতে হয় নি, তার মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে এবং তার বাপ চা বিক্রি করে তাকে বড় করেছে। সুতরাং মানুষ করার চিন্তা আপনাকে করতে হবে না, আপনার যদি শুধু ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত কোনো সন্তানকে খাইয়ে পরিয়ে বাঁচিয়ে রাখার ক্ষমতা থাকে, আপনি সন্তানের জন্ম দিতে পারেন এবং এটা মনে করতে পারেন যে এই ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত আপনি আপনার সন্তানের পেছনে যা খরচ করেছেন, সেটা আপনার ইনভেস্ট, এই সন্তান আপনাকে ১৬ বছরের পর থেকে শুধু দেবেই আর দেবে, আপনার থেকে আর কিছুই নেবে না এবং যেটা দেবে, সেটা আপনার খরচের ১০০ গুন বেশি। অবশ্য এই ঘটনা তখনই ঘটবে, যখন আপনি সম্পূর্ণ পরিকল্পনা করে আপনার বাচ্চার পেছনে ইনভেস্ট করবেন।

পরিশেষ আমার বন্ধুদের কাছে অনুরোধ- এক কন্যা সন্তানের জনক হয়ে বাঁজা ও আঁটকুড়ো বদনাম ঘুচাতে পেরেছি বলে মনে করে আত্মতৃপ্তি নিয়ে বসে থাকবেন না। যদি থাকেন, তাহলে আপনাদের পরিণতি হবে ফটো পোস্টে উল্লিখিত দুটো ঘটনার মতো। প্রথম সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, একাধিক সন্তানের জন্ম দেন, এতে একটি যদি কোনো কারণে মারাও যায়, বিকল্প অপশান আপনার থাকবে। সবগুলোই যদি ছেলে হয়, তারা যেমন আপনার শক্তি হবে, তেমনি তাদের দ্বারা আপনি মহৎ কাজও করতে পারবেন। আর যদি সবগুলো আপনার মেয়েও হয়, এটাকে ঈশ্বরের ইচ্ছা বলে মেনে নিয়ে এই চিন্তা করবেন যে- ভারতের সুষমা স্বরাজ, নির্মলা সীতারমন; বাংলাদেশের সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া রহমানের মতো ক্ষমতাবান নারীও তো আছে, আপনার মেয়েগুলো তাদের মতো হবে, যারা যেকোনো সাধারণ ছেলের চেয়ে অনেক অনেক বেশি উপকারী।

সব দিক বিচারে এক সন্তানের জন্ম দেওয়া কোনোপ্রকারেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়, সেটা ছেলে হোক বা মেয়ে হোক। একটি সন্তান কন্যা হলে আপনার শেষ জীবন কষ্টপূর্ণ হতে বাধ্য, আর এক সন্তান যদি ছেলেও হয়, সে যদি কোনো কারণে মারা যায়, আপনার পরিণতি আরো খারাপ হতে বাধ্য। তাই একাধিক বিকল্প অপশান সব সময় রাখবেন, যেটা সবদিক বিচারে সর্বোচ্চ বুদ্ধিমানের কাজ।

সকল হিন্দুর মধ্যে এই বোধ ঢুকুক, তাদের মাধ্যমে সনাতন হিন্দু সমাজ স্বমহিমায় মাথা উঁচু করে টিকে থাকুক, এই কামনায় বলছি-

জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ।

জয় হিন্দ।

Friday, 14 August 2020

লাভ জিহাদ প্রসঙ্গে শিক্ষিত হিন্দু মেয়েদের কাছে একটি নিবেদন :


লাভ জিহাদ প্রসঙ্গে শিক্ষিত হিন্দু মেয়েদের কাছে একটি নিবেদন :

লাভ জিহাদ নিয়ে আমার এত মাথা ব্যথার কারণ হলো, এটা মুসলমানদের কোনো ভালোবাসার যুদ্ধ নয়, এটা তাদের হিন্দুসমাজকে ধ্বংস ও বিলুপ্তকরার একটা সুদূরপ্রসারী প্ল্যান। আপনারা শিক্ষিত মেয়ে হয়েও কেনো জেনে বুঝে তাদের এই পরিকল্পনার ফাঁদে পা দেন, এটাই আমার কাছে বড় দুঃখ ও বেদনার কারণ।

লাভ জিহাদের মাধ্যমে মুসলমানরা কিভাবে হিন্দুসমাজকে বিলুপ্ত করার প্ল্যান করেছে এবং তা বাস্তবায়িত করে চলেছে, সেই ব্যাপারটা এবার বলি- আপনারা হয়তো জানেন না, প্রকৃত ইসলামিক অর্থাৎ শরীয়া আইন শাসিত দেশে নাগরিক হিসেবে হিন্দুদের বাস করার বা বাঁচারই কোনো অধিকার ইসলাম দেয়নি। ইসলামিক দেশে জিজিয়া কর দিয়ে শর্তসাপেক্ষে বেঁচে থাকার অধিকার আছে শুধু ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের। মূর্তিপূজক বা হিন্দুদের সামনে শুধু দুটোই পথ খোলা রেখেছে ইসলাম- হয় ইসলাম গ্রহণ, নয় তো মৃত্যু

এই কারণে ভারতবর্ষে প্রায় ১ হাজার বছরের ইসলামিক দুঃশাসনে স্বামী বিবেকানন্দের হিসেব মতে প্রায় ৫০ কোটি হিন্দুকে জীবন দিতে হয়েছে বা তারা ইসলামকে গ্রহন না করে জীবন দিয়েছে। সারা পৃথিবীতে ইসলামিক সাম্রাজ্য বিস্তারে মুসলমানদের মূল থিয়োরিই ছিলো- হয় কোরান, নয় মৃত্যু। ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মুসলমানরা তাদের এই থিয়োরির মাধ্যমে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালায় মুহম্মদের মৃত্যুর পর থেকে প্রায় ১৫০০ সাল পর্যন্ত। তখন মুসলমানদের মূল উদ্দেশ্যই ছিলো এবং এখনও আছে জনসংখ্যা বাড়িয়ে শক্তির মাধ্যমে দেশ দখল করে অমুসলিমদের সম্পত্তি লুঠ করা এবং জিম্মীদের থেকে জিজিয়া কর নিয়ে আরাম আয়েশে বসে বসে খাওয়া এবং অকারণে অমুসলিমদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করা, যেমন- এখন করছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে।

মুসলমানদের এই হীন উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে খ্রিষ্টানদের পোপ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধ তথা ক্রুসেড পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তার ফলেই মুসলমানরা ১৫০০ সালের শেষ নাগাদ কচুকাটা হওয়ার মাধ্যমে সমগ্র ইউরোপ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়।

হিন্দুজাতির বড় দুর্ভাগ্য, হিন্দুদের কোনো সেন্ট্রাল নিয়ন্ত্রণ নেই বা পোপের মতো কোনো ব্যক্তি নেই, যার কথায় হিন্দুরা কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক সিদ্ধান্ত নেবে। খ্রিষ্টানদের এই ক্রুসেড পরিচালনার আগে ইউরোপের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ এলাকা মুসলমানরা দখল করে ফেলেছিলো, কিন্তু ক্রুসেডের পর তারা তাদের দখলকৃত ইউরোপ থেকে তাদের কর্তৃত্ব হারায়। এটা ছিলো পোপের নেতৃত্ব এবং সমগ্র খ্রিষ্টান সমাজের একতাবদ্ধ চেষ্টার ফল।

কিন্তু একই সময়ে এবং একই ভাবে ভারতবর্ষে হিন্দুরা মুসলমানদের দ্বারা নির্যাতিত হলেও কোনো সেন্ট্রাল নেতৃত্ব না থাকায় এবং সমগ্র হিন্দুসমাজ এক না হওয়ায় ভারতবর্ষে মুসলমানরা তাদের দুঃশাসন চালিয়ে যেতে থাকে- যতক্ষণ সেই ইউরোপীয়রা ভারতবর্ষে হস্তক্ষেপ না করে। ১৭৫৭ সালে সিরাজদ্দৌলাকে দিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত ১৭৯৯ সালে টিপুসুলতানকে হত্যার মাধ্যমে ইউরোপীয় খ্রিষ্টানরা ভারতে মুসলমানদের দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে সক্ষম হয়। এরপর সন্ত্রাস করে আর এগোনো যাবে না মনে করে সমগ্র মুসলিম জাতি সন্ত্রাসের পথ বাধ্য হয়ে পরিত্যাগ করে এবং আগের সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে চাপা দেওয়ার জন্য, আস্তে আস্তে ইসলামকে- শান্তি, সহাবস্থান এবং সাম্যবাদের ধর্ম হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করতে থাকে, যার কারণেই তাদের মূখ্য প্রচারণা হয়ে উঠে- ইসলাম শান্তির ধর্ম

এরই এক পর্যায়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রের ক্ষমতা দখলের মূল অস্ত্র হয়ে উঠে ভোট। তখন থেকেই মুসলমানরা সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পথ ছেড়ে দিয়ে মনোযোগ দেয় জনসংখ্যা বাড়িয়ে ভোটের বাক্সে প্রভাব ফেলে দেশ দখলের দিকে, যার প্রথম ফল তারা পায় পাকিস্তান দখলের মাধ্যমে; কারণ, ১৯৪৬ সালে অখণ্ড ভারতের ৯৭% মুসলমান পাকিস্তান সৃষ্টির পক্ষে ভোট দেয়; অখণ্ড ভারতকে ভেঙ্গে পাকিস্তান-বাংলাদেশ দখলের পর তাদের পরবর্তী লক্ষ্য সমগ্র ভারত দখল করা, পদ্ধতি একটাই- জনসংখ্যা বাড়িয়ে ভোটের বাক্সে প্রভাব ফেলে ক্ষমতা দখল, যার ফল ইতোমধ্যে তারা পেয়েছে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরলে; হিন্দুরা মুসলমানদের এই সূদুর প্রসারী লক্ষ্য সম্পর্কে না জানলে যে মুসলমানরা ১ হাজার বছর পর হলেও ভারত দখল করবে, তাতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই।

১৯৪৭ সালে নেহেরু এবং তার দল কংগ্রেস, অখণ্ড ভারতের ২৩% মুসলমানের জন্য ৩০% ভূমি দিয়ে পাকিস্তান বানিয়ে দেওয়ার পরও, দেশ ভাগের চুক্তি অনুসারে ভারতের মুসলমানদেরকে পাকিস্তানে পাঠায় নি; উল্টো ভারতে থেকে যাওয়া মুসলমানরা যাতে ১ হাজার বছর পর হলেও সমগ্র ভারত দখল করতে পারে সেজন্য একই দেশের এ্কই সংবিধানে দুইরকম আইন পাশ করে- হিন্দুদের জন্য এক স্ত্রী এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা নেই কিন্তু মুসলমানদের জন্য চার স্ত্রী এবং যখন তখন তালাক দিয়ে আবার সেই চার সংখ্যাকে পূর্ণ করার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় অধিকার। হিসেব সিম্পল, একই সময়ে একজন হিন্দু যে কয়টা বাচ্চার জন্ম দেবে, সেই সময়ে একজন মুসলমান জন্ম দেবে তার ৪/৫ বা ৬ গুন। মুসলমানদের জন্য এই সুবিধা বহাল থাকলে, নেহেরু কংগ্রেসের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করে ভারতের ইসলামিক রাষ্ট্র হওয়া এখন কয়েকশ বছর সময়ের ব্যাপার মাত্র।

মুসলমানদের এই জনসংখ্যা বাড়ানোর থিয়োরির ই একটি পার্ট হলো লাভ জিহাদ এবং এই বিষয়টি প্রথম প্রকাশ পায় ভারতের কেরালায়, যখন এক বছরের মধ্যে ৬ হাজার হিন্দু ও খ্রিষ্টান মেয়ের ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম গ্রহণের খবর সামনে আসে। কেরালায় মুসলমানদের একটি গুপ্ত সংগঠন, সব অবিবাহিত ইয়াং মুসলিম ছেলেদের এই শর্তে একটি করে মোটর সাইকেল দিয়েছিলো যে, যে করেই হোক তাদেরকে একটি করে হিন্দু বা খ্রিষ্টান মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করতে হবে। তাদের প্রতি এই নির্দেশ ছিলো যে, একটি মেয়ের পেছনে সর্বোচ্চ ৩ মাস সময় দেওয়ার পর যদি দেখা যায় যে, সে আর লাইনে আসছে না, তখন তাকে ছেড়ে অন্য একটি মেয়ের পেছনে সময় দিতে এবং সফল হয়ে সেই মেয়েটিকে বিয়ে করতে পারলে তার গর্ভে অন্তত ৪টি সন্তানের জন্ম দিতে। কারো সাথে কোনো সম্পর্ক নেই এমন একটি ফ্রেশ মেয়ের পেছনে মোটর বাইক নিয়ে ৩ মাস সময় দিলে মনোবিজ্ঞানের হিসেবে সেই মেয়েটি লাইনে আসতে বাধ্য।

যেকোনো ভাবনা চিন্তা এবং তার চেষ্টার ফল কিছুটা হলেও বাস্তবায়িত হয়ই হয়, কেরালাতে মুসলমানদের এই চেষ্টাও বৃথা যায় নি, কয়েক বছরে কয়েক হাজার অমুসলিম মেয়েকে তারা এমন ভাবে ব্রেইন ওয়াশ করে যে, তারা শুধু ধর্ম-সমাজ-পরিবার ছেড়ে ইসলামিক কালচার বা ধর্মই গ্রহণ করেনি, যৌন দাসী হওয়ার জন্য তাদের কয়েক জন সিরিয়ায় গিয়ে আইএসএসেও যোগ দিয়েছিলো, সংবাদ পত্রে প্রকাশিত সংবাদেই পাওয়া গিয়েছিলো এই খবর।

কেরালায় মুসলমানরা হয়তো একটি সংঘ বদ্ধ প্রয়াস চালিয়ে তার কিছু ফায়দা তুলেছে, কিন্তু সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের এরকম সংঘবদ্ধ প্রয়াস না থাকলেও যেকোনো অমুসলিমকে ইসলামে আনার একটি ব্যক্তিগত প্রয়াস সব মুসলিমের মধ্যে আছে এবং এই প্রয়াসকে তারা তাদের পুন্যের কাজ বলে মনে করে এবং তারা এটা বিশ্বাস করে যেকোনো একজন অমুসলিমকে মুসলমান বানাতে পারলে তাদের বেহেশতে যাওয়া নিশ্চিত। বাংলার যেসব হিন্দু ছেলে-মেয়ে মুসলমানদের এই ফাঁদে পা দেয়, তারা তাদের এই সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার কথা জানে না, আর সবার পক্ষে এত দূর জানা বা এত দূর চিন্তা করাও সম্ভব নয়।

লাভ জিহাদের ফলে হিন্দুসমাজ কিভাবে ধ্বংস হচ্ছে বা বিলুপ্ত হতে পারে এবার সে ব্যাপারে বলি। যখন কোনো হিন্দু, হিন্দুধর্ম ও সমাজ ত্যাগ করে, তখন স্বামী বিবেকানন্দের মতে শুধু একজন সদস্য যে কমে তাই নয়, হিন্দুসমাজের একজন শত্রুও বাড়ে। হিন্দুসমাজের একজন সদস্য কমে মানে মুসলিম সমাজের একজন সদস্য বাড়ে। এর অর্থ, একজন হিন্দু মারা গেলে, মুসলিম সমাজের তুলনায় শুধু একজন হিন্দু কমে, কিন্তু একজন হিন্দু ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হলে মুসলমান সমাজের তুলনায় প্রথম স্টেপেই দুই জন হিন্দু কমে। তারপর সেই হিন্দু যে সন্তানের জন্ম দেয়, তা মুসলিম সমাজের জনসংখ্যা আরও বাড়ায় এভাবে হিন্দু সমাজের জনসংখ্যা, মুসলমান সমাজের তুলনায় আরও কমে। একজন হিন্দুকে মুসলমানরা যদি মুসলমান বানাতে পারে, সে ছেলে হোক বা মেয়ে হোক, সে হিন্দু সমাজকে দমন করতে মুসলিম সমাজকে সাহায্য করে নানা ভাবে এবং হিন্দু সমাজের জন্য এর কুফল সুদূর প্রসারী।

এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে, মুসলমানদের তুলনায় হিন্দু সমাজের জনসংখ্যা কমলে ক্ষতি কী ? ঠিক এরকমই এক প্রশ্ন তুলে পত্রিকায় এক কলাম লিখেছিলো কোলকাতার মিডিয়া এবিপি এর সম্পাদক সুমন দে, যার চিন্তা ও কর্মেরগুনে এখন সে শেখ সুমন নামেই বেশি পরিচিত।

মুসলিমরা যদি সহাবস্থানে বিশ্বাস করতো, তারা যদি সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতো, তারা যদি একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারতো, জ্ঞান বিজ্ঞান ও সভ্যতা নির্মানে তাদের যদি কোনো ভূমিকা থাকতো, বেহেশতের ৭২ হুরের আশায় তারা যদি অমুসলিমদের উপর চাপাতি, গুলি, বোমা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদেরকে হত্যা না করতো, তাদের অত্যাচারে হিন্দুদের যদি দেশ ত্যাগ করতে না হতো এবং তারা নিজেরাই যদি একে অপরের মসজিদে ঢুকে বোমা-গুলি মেরে একে অপরকে হত্যা না করতো, তাহলে মুসলমানদের এই জনসংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যথা থাকতো না, এমনকি তাদের সাথে মিশে তাদের কালচার পালন করতেও আমার কোনো আপত্তি থাকতো না, যেমন- বাল্য ও কৈশোর কালে যখন মুসলমানদের এই সব গভীর ষড়যন্ত্রকে বুঝতামনা, তখন মুসলমানদের সাথে মিশে তাদের ইসলামিক কালচার পালন করেছিও; করেছি কারণ, এখন যেমন বাংলায় আমার মতো বড় হিন্দু খুব কমই আছে, তেমনি আমার বাল্য ও কৈশোর কালে আমার মতো বড় মানবতাবাদীও খুব কমই ছিলো।

কিন্তু আমি বড় হওয়ার সাথে সাথে এবং জ্ঞান বুদ্ধি বাড়ার সাথে উপলব্ধি করলাম আসলে মানবতাবাদের কথা বলে আমি শুধু হিন্দু সমাজের ক্ষতিই করছি, যে হিন্দু সমাজের কৃষ্টি-কালচার মুসলিম সমাজের চেয়ে শত গুন ভালো এবং এমন একটি সমাজের উপকার করছি, যেখানে মানবতাবাদ বলে কোনো কথা নেই এবং তাদের উদ্দেশ্যই হলো পৃথিবীর সকলধর্মকে বিলুপ্ত করে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করা; যে ইসলাম বর্তমান সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এক থিয়োরি। ইসলাম বর্তমান সমাজের জন্য শুধু অপ্রয়োজনীয় থিয়োরিই নয়, সম্পূর্ণ ক্ষতিকারক এক বিশ্বাস; কারণ, এই বিশ্বাস, মানুষকে ভালোভাবে বাঁচতে নয়, বিনা কারণে অন্যকে মারতে ও নিজে মরতে শেখায়। জঙ্গী হিসেবে যারা মরছে বা ধরা পড়ছে তাদের কাজ এবং কথাবার্তার মানে বুঝলে আপনারা আমার কথার মর্মকে উপলব্ধি করতে পারবেন। মডারেট মুসলমানরা যতই ইসলামের পক্ষে সাফাই গাক, আমার গবেষণায় আমি দেখেছি, জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ ই ইসলামের প্রকৃত পথ এবং বেহেশতে যেতে চাইলে জিহাদের নামে সন্ত্রাস না করে কোনো মুসলমানের অন্য কোনো উপায় নেই।

যা হোক, মুসলমানরা সংখ্যায় বাড়লে কী ক্ষতি, এটা বোঝার জন্য অতীত ইতিহাস না ঘাটলেও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের হিন্দুদের দিকে এবং লেটেস্ট পশ্চিমবঙ্গের দিকে তাকান, তাহলেই বুঝতে পারবেন। হিন্দুরা এমনিতেই ভদ্র ও সুসভ্য জাতি। একটি হিন্দু শত চেষ্টা করে কোনোরকম ঝামেলায় না জড়াতে, এই ভাবে তারা একটি শান্তিপূর্ণ জীবন যাপনের চেষ্টা বা কামনা করে। তাহলে এই রকম শান্তি প্রিয় এবং ভদ্র জাতির সাথে মুসলমানদের বাস করতে আপত্তি কোথায় ?

অমুসলিমদের সাথে মুসলমানদের বাস করতে কোনো আপত্তি নাই, যদি তারা ভারত বা অন্য কোনো দেশে সংখ্যালঘু হয়, কিন্তু মুসলমানরা নিজেরাই যখন সংখ্যায় বেশি, সেখানে বা সেই দেশে তখন তাদের অন্যের সাথে শান্তিতে বাস করতে আপত্তি আছে। কারণ আর কিছুই নয়, পাছায় মুহম্মদের কামড়। কেননা, মুহম্মদ বলে গেছে, যেখানে তোমরা বিপদের আশংকা করবে, সেখানে সাবধানে থাকবে মানে ভদ্রভাবে থাকবে, কিন্তু যেখানে মুসলমানরা সংখ্যায় বেশি হয়ে নিজেরাই ক্ষমতার মালিক হবে সেখানকার জন্য মুহম্মদের বিধান হলো, যেখানে পাও তাদের হত্যা করো (কোরান, ৯/৫) বা ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম চাইলে তা কখনো গ্রহন করা হবেনা (কোরান,৩/৮৫) বা সমগ্র আরবে (দেশে) যেন ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম না থাকে (মুসলিম হাদিস, ৪৩৬৬) বা পৌত্তলিকদের আরব থেকে তাড়াও (মুসলিম হাদিস, ৮০১৮)।

ইসলামের এই সব বিধানের জন্যই বাংলাদেশ, পাকিস্তান থেকে হিন্দুরা দিনের পর দিন জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হচ্ছে, নির্যাতিত হচ্ছে, বিতাড়িত হচ্ছে। মুসলমানরা যখন যে দেশে শুধু নয়, যেখানে সংখ্যায় বাড়ে সেখানেই অমুসলিমদের জন্য শুরু হয় এই সব প্রব্লেম। সম্প্রতি সিরিয়ার ঘটনায় ইউরোপের যেসব দেশ মানবতাবাদের ফাঁদে পড়ে মুসলমানদেরকে আশ্রয় দিয়েছে, তারা এর মজা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে, কারণ ঐ সব দেশে ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে, এমনকি তারা যৌন নির্যাতনের মতো ঘটনা বর্ষবরণের মতো অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘটাচ্ছে; জার্মানিতে যত মুসলমান আশ্রয় নিয়েছে, তার ৭৮% নাকি কোনো না কোনো অপরাধে গ্রেফতার হয়েছে, এই সব বিবেচনা করে ধর্মকারী সাইটতো একটা নতুন শ্লোগানই চালু করেছে,
“যেখানে মুসলমান যায়, ধর্ষণও বাড়িয়া যায়।”
এবিপির সুমন শেখ এর মতো আপনারা যদি স্বেচ্ছায় মুসলমানদের হাতে নিজের মা, বউ, বোনকে তুলে দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন, তাহলে দেশে মুসলমান বাড়লে কোনো ক্ষতি নেই, কিন্তু আপনি যদি সেই মনোবৃত্তির লোক না হোন, তাহলে মুসলমানদের সংখ্যা বাড়াতে নিশ্চয় আপনার ভয়ের কারণ আছে, এবং আপনার মাথায় যদি কিছু পরিমান ঘিলু থাকে, আপনি আমার কথার মর্ম বুঝতে পারবেন।

বর্তমানে মানবতাবাদ হিন্দুসমাজের এক মহাব্যাধি। এই ব্যাধি হিন্দুসমাজকে ভেতর থেকে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছে। কারণ, মানবতাবাদ নামক এই ব্যাধির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মুসলমানরা হিন্দুদের মধ্যে ঢুকে হিন্দু সমাজের ভিত্তি মূলে আঘাত করার সুযোগ পাচ্ছে এবং আঘাত করছে। যারা মানবতাবাদে বিশ্বাসী, তাদেরকে বলছি, আপনারা খেয়াল করবেন, যখন মানবতাবাদের কথা বলেন তখন আপনি হিন্দুসমাজের ক্ষতি করেন এবং মুসলিম সমাজের লাভ ঘটান; মুসলিম সমাজের তুলনায় হিন্দুসমাজের কৃষ্টি-কালচার শতগুনে যে শ্রেষ্ঠ সেটাতো একটু আগেই উল্লেখ করেছি, তাহলে আপনারাই বলুন, কেনো একটি শ্রেষ্ঠ কালচারকে ধ্বংস করে একটি নিকৃষ্ট কালচারকে এগিয়ে যাওয়ার পথ আপনি করে দেবেন ?

এ প্রসঙ্গে মুসলমানদেরকে বলছি, আপনারা যদি আমাকে ১০ টি সামাজিক পয়েন্ট উল্লেখ করে হিন্দু ও মুসলিম সমাজ ব্যবস্থার তুলনা করে প্রমান করতে পারেন যে, হিন্দুসমাজের চেয়ে মুসলিম সমাজ শ্রেষ্ঠ, তাহলে আমি ইসলামের সমালোচনা ছেড়ে দিয়ে ইসলাম গ্রহণ করে মুসলমান হয়ে যাবো। কমেন্টে গালা-গাল ছাড়া আপনারা তো কিছুই করতে পারেন না, একটা ছোয়াবের কাজ দিলাম, চেষ্টা করে দেখেন। আরও একটা বিষয় বলে রাখি, যুক্তি-তর্ক-প্রমান দিয়ে আমার মুখ যদি আপনারা বন্ধ করতে না পারেন, তাহলে জাকির নায়েক আপনাদের আত্মবিশ্বাস যতটা বাড়িয়েছে এবং মুসলিম সমাজের যতটা উপকার করেছে, আমি তার দ্বিগুন পরিমানে ইসলামকে নিচে নামিয়ে দিয়ে যাবো, যে কাজ অলরেডি শুরু করেছি। মনে রাখবেন, জাকির নায়েক যদি বুনো ওল হয়, আমি বাঘা তেঁতুল; এখনই তা অনেকে বুঝতে পারছে, যত সময় যাবে তত আরও বেশি করে বুঝতে পারবে। জাকিরের প্রত্যেকটা কুযুক্তিকে খণ্ডন করে লিখা পোস্ট আমি একের পর লিখে নেট-ফেসবুকে পোস্ট করবো।

বলছিলাম মানবতাবাদের কথা, এই মানবতাবাদ ই হলো হিন্দুধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞ ও উদাসীন তথাকথিত শিক্ষিত মেয়েদের লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ার প্রথম স্টেপ। কারণ, বন্ধুত্বের শুরুতেই ধান্ধাবাজ মুসলমানরা হিন্দু মেয়েদেরকে শোনায় মানবতাবাদের উদারবুলি। কিন্তু ইসলামে মানবতাবাদ বলে কোনো কথা নেই, সেখানে একটাই বাদ বা পথ, আর তা হলো ইসলাম।এমনকি ইসলামে দুই ধর্মের মানুষের বিয়ে করারও বিধান নেই (কোরান, ২/২২১)মুসলিম কাউকে বিয়ে করতে হলে অবশ্যই সেই অমুসলিম ছেলে বা মেয়েকে ইসলামকে স্বীকার করে তাকে বিয়ে করতে হবে। এসব না জেনে মুসলমানদের মিথ্যা কথায় বিশ্বাস করে হিন্দু মেয়েরা তাদের প্রেমের ফাঁদে পড়ে, ভাবে, ওর ধর্ম, ও পালন করবে, আমার ধর্ম আমি, প্রব্লেম কী ? এভাবে একটি হিন্দু মেয়ে একটি মুসলিম ছেলের ফাঁদে পড়ে আস্তে আস্তে ইসলামের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। আর এই সময় অনেক হিন্দু পরিবার তাদের ছেলে মেয়েদের সাথে মুসলিম ছেলে মেয়েদের গভীর সম্পর্ক দেখেও মনে করে, এই বয়সে এগুলো হয়েই থাকে, সময় হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সব যে ঠিক হয় না, তা নেট- ফেসবুক বা পত্রিকার পাতার এফিডেফিটের নাম পরিবর্তন বা ধর্মান্তরের খবর দেখলেই বোঝা যায়।

একটি ছেলে বা মেয়েকে এসব ভুল ভাল বুঝিয়ে তার ব্রেইন ওয়াশ করিয়ে যখন তাকে তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে, তখন ই মুসলিম পরিবারে শুরু হয় আসল খেলা। ছেলের ক্ষেত্রে ধর্মান্তরের বিষয়টি আগে থেকে নিশ্চিত থাকলেও হিন্দু মেয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি ততক্ষণ গোপন রাখা হয়, যতক্ষণ মেয়েটিকে মুসলমানরা হিন্দু পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজেদের কব্জায় নিতে না পারছে। যখন মুসলমানরা বুঝতে পারে, হিন্দু মেয়েটির আর ফেরার পথ নেই, তখনই শুরু হয় প্রকৃত খেলা- প্রথমে নাম পরিবর্তন করে কনভার্ট, তারপর বিয়ে, তারপর বোরকা, নামায, রোযা সহ নানা ইসলামিক অনুশাসন একের পর এক চাপতে থাকে মেয়েটির উপর; অসহায় ঐ হিন্দুমেয়েটি বেঁচে থাকার তাগিদে এসব না মেনেও পারে না। কারণ, এই ফাঁদ থেকে সে বের হয়ে যাবে কোথায় ? হিন্দু সমাজ তো আগেই তার ফেরার সব পথ বন্ধ করে রেখেছে! এই সেই হিন্দুসমাজ, যে সমাজ নিজেদের ভুলের তৈরি মাথা ব্যথাকে নিজেরা ভালো করতে না পেরে সেই মাথাটাকেই কেটে ফেলে, কিন্তু এভাবে যে সমাজ আস্তে আস্তে ক্ষয়ে যাচ্ছে, ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে বা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে অধিকাংশ হিন্দুরই কোনো মাথা ব্যথা নেই।

লাভ জিহাদের ব্যাপারে মানুষ আগের চেয়ে বেশ সচেতন হয়েছে। গ্রামে এই ধরণের ঘটনা অনেক কমে এসেছে, গ্রামের যে মেয়েরা এই ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হচ্ছে, তা ঘটছে শহরের কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পড়তে এসে বা পড়াশুনা শেষে অফিসে চাকরি করতে গিয়ে, ফলে লাভ জিহাদের ঘটনা ঘটছে প্রায় ৯৫% ক্ষেত্রে শিক্ষিত মেয়েদের মাধ্যমে। ২০১৫ সালে খুলনা ইউনিভার্সিটিতে ৫৭ জন হিন্দু মেয়ে লাভজিহাদের মাধ্যমে ধর্মান্তরিত হয়; দেশের ৩৭ টি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, ৬০ টির মতো বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়, প্রায় ৫০০ এর মতো উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর গড়ে যদি ১০ টি করে ঘটনা ঘটে, তাহলে বছরে হিন্দুসমাজ কী পরিমাণ ক্ষয় হচ্ছে একবার চিন্তা করুন।

আমাদের হিন্দু যুবকদের উদ্দেশ্যে বলছি, এখনও এ বিষয়ে যদি সচেতন না হোন এবং ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো যদি নিঃস্বার্থভাবে এখনও এ ব্যাপারে কাজ না করেন, তা হলে আর কিছুদিন পর হয়তো বিয়ে করার জন্য হিন্দু মেয়ে খুঁজে পাবেন না। আর যদি মুসলিম মেয়েদেরকে বিয়ে করতে যান তো প্যাঁচে পড়ে আপনাকেও মুসলমান হয়ে বাঁচতে হবে, উল্টো লাভ হবে মুসলিম সমাজেরই। এটাও মুসলমানদের একটা ষড়যন্ত্র যে হিন্দু সমাজের মেয়ে কমিয়ে বা হিন্দু ছেলেদের সাথে মুসলিম মেয়েদের প্রেম করার সুযোগ তৈরি করে দিয়ে তাদেরকে ফাঁদে ফেলে মুসলমান বানানো। বাংলাদেশে এই ধরণের ঘটনা বহু আছে, চোখ কানের সাথে সাথে আপনার কমন সেন্সটাকে কাজে লাগাবেন তাহলেই বুঝতে পারবেন, কোনো মুসলমান মেয়ের সাথে প্রেম করতে চাইলে বা করলে কেনো আপনার মুসলিম বন্ধুরা খুব বেশি বাধা দেয় না বা মাইন্ড করে না বা ক্ষেত্র বিশেষে সুযোগও তৈরি করে দেয় ? কারণ, আপনি না জানলেও ওরা জানে যে, এটা একটা ফাঁদ, আর ওরা এই অপেক্ষাতেই থাকে যে কখন আপনি সেই ফাঁদে পা দেবেন। আমার জীবনে এই সব ঘটনা বহু ঘটেছে, তখন বুঝতে না পারলেও এখন তাদের প্রতিটি আচরণের কারণ বুঝতে পারি।

একটি শিক্ষিত মাথা- একটি পরিবার, সমাজ বা সেই জাতির সম্পদ। হিন্দু সমাজের টাকা পয়সা ব্যয় করে যখন সেই সম্পদটাকে তৈরি করা সম্পন্ন হচ্ছে, তখন ই সেই তৈরি সম্পদটাকে মুসলমানরা একটা মেয়ে বা ছেলের মাধ্যমে তাকে মুসলমান সমাজের সম্পদ বানিয়ে নিচ্ছে। এটা হিন্দু সমাজের জন্য কত বড় ক্ষতির কারণ, তা একবার চিন্তা করেছেন ? একটা সমাজ তার অস্তিত্ব টিকিয়েই রাখে তার মেধাবী সন্তানদের বুদ্ধি ও কর্মের জোরে; ৩০ তম বিসিএসএর এই চারটি মেয়ে বা যারাই এখন হিন্দু সমাজ ত্যাগ করছে সবাই কলেজ ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষিত ছেলে মেয়ে, এখন হিন্দু সমাজের এই মেধাগুলোই যদি হিন্দু সমাজে না থাকে বা তাদেরকে যদি হিন্দু সমাজ ধরে রাখতে না পারে তাহলে এই সমাজটিকবে কিভাবে ?

লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য আমি সরাসরি সেই ছেলে বা মেয়েগুলোকে দোষ দিই না, দোষ দিই সমাজকে, যে সমাজ তাদের ছেলে মেয়েদেরকে রক্ষা করতে পারে না বা আটকে রাখতে পারে না।

মুসলিম সমাজ একটি শক্তিশালী সমাজ, সেই সমাজকে আঘাত করে তার কিছু মাত্র ক্ষতি করার ক্ষমতা পৃথিবীর খুব কম সমাজেরই আছে, তাহলে হিন্দু সমাজের সেই শক্তি নেই কেনো ? শক্তি নেই, কারণ, সমাজ নিয়ে ভাবার লোক হিন্দু সমাজে নেই বললেই চলে; কারণ, প্রত্যেককেই তাদের নিজের জীবন-ক্যারিয়ার-পরিবার নিয়ে ভাবতে হয়, তাই তাদের পক্ষে সমাজ নিয়ে খুব বেশি ভাবা তার জন্য কোনো অবদান রাখা সম্ভব হয় না। আর যাদের সমাজ নিয়ে ভাববার কথা বা যাদের এই দায়িত্ব সেই সাধু-সন্ন্যাসী-মহারাজরা ভাবেন তো শুধু নিজেদের মোক্ষ বা মুক্তি নিয়ে; তাই হিন্দুদের টাকা দিয়েই মাদার তেরেসা ভারতের লক্ষ লক্ষ হিন্দুকে খ্রিষ্টান বানিয়ে গেলেও কোনো হিন্দুধর্মীয় সংগঠন বা আশ্রমের তাতে ঘুম ভাঙে না, এই নপুংসকদের আস্তানাগুলোর আর টিকে থাকার প্রয়োজন বা অধিকার আছে কিনা, তা আমি সবাইকে ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।

এ পর্যন্ত দুই বাংলায় যত মেয়ে লাভজিহাদের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে, তাদের সবাই এক সময় তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে, কিন্তু তাদের কোনো উপায় নেই বলে বা ফেরার পথ নেই বলে তারা আর ফিরতে পারেনি; কারণ, ভুল শোধরানোর কোনো উপায় হিন্দু সমাজ রাখে নি, ফলে সেই মেয়ে গুলোকে যাপন করতে হয়েছে বা হচ্ছে এক যন্ত্রণাময় জীবন, বেঁচে থাকার জন্য অনেককে বেছে নিতে হয়েছে পতিতা বৃত্তির পেশা, এই মেয়েগুলোকে কি আমরা আবার হিন্দু সমাজে ফিরিয়ে আনতে পারি না ?

কলেজ ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া হিন্দু মেয়ে, যারা অলরেডি লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়েছেন বা পড়তে যাচ্ছেন বিশেষ করে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি- অনেক সাধ স্বপ্ন নিয়ে বাবা মা তাদের মেয়েদের কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পাঠায়, একটি মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করে কিভাবে তাদের সেই স্বপ্নকে আপনারা ধুলিস্যাত করতে পারেন ? হয়তো অনেকক্ষেত্রে বন্ধুত্ব থেকে প্রেম বা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, ভাবেন আর তো ফেরার পথ নেই। কিন্তু এই কথা ভাবেন কেনো ? একবারও কি মনে পড়ে না নতুন জীবনে সুখী হওয়ার জন্য মা বাবার আশীর্বাদ দরকার ? একটা মুসলিম ছেলেকে বিয়ে করে আপনারা যে জীবন শুরু করেন বা করবেন, আপনারা কি জানেন সেই জীবন কত অভিশাপে ভরা ? এত অভিশাপ নিয়ে কেউ কি কখনো সুখী হতে পারে ? যারা লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখুন তারা কেউ জীবনে সুখী হয় নি, কেউ সুখে নেই।

যারা শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে বেশি ভাবেন, তাদের জন্য বলছি, আপনি যদি কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়ে থাকেন, তাহলে নিশ্চয় আপনার কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়া কোনো ছেলের সাথেই বিয়ে হবে, আর এটা জেনে রাখুন, ইউনিভার্সিটিতে পড়া কোনো ছেলে আর এটা বিশ্বাস করে না যে কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়ার পরও কোনো মেয়ে আর ভার্জিন থাকে; শুধু তাই ই নয়, এখনকার প্রায় সব ছেলে এটা বিশ্বাস করে যে কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়লে ওরকম প্রেম বন্ধুত্ব হয়েই থাকে, বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে তার কোনো প্রভাব না পড়লেই হলো।

একটা গবেষণায় এটাও দেখা গেছে যে, বাংলাদেশের ৮৪% মেয়ে ১৮ বছর বয়সের মধ্যে কোনো না কোনো ভাবে বিয়ের পূর্বেই তাদের ভার্জিনিটি হারায়, কিন্তু কখনো কি এমন শুনেছেন যে, বাসর রাতে কুমারী না পাওয়ায় কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে ? সুতরাং কলেজ ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গিয়ে মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্ব, প্রেম, ফিজিক্যাল যা হোক না কেনো এটা নিয়ে এত সিরিয়াসলি ভাবার কিছু নেই; সিরিয়াসলি ভাববেন আপনার পড়াশুনা, ক্যারিয়ার এবং মা বাবা ও পরিবারের সম্মান নিয়ে, যে সমাজে আপনি জন্ম নিয়েছেন, যে সমাজ আপনাকে বড় করেছে, ভাববেন তার সমৃদ্ধি নিয়ে।

আপনি হয়তো ভাববেন, ওকে ভালোবাসি, ওকে কথা দিয়েছি, এই প্রতিজ্ঞা থেকে আমি সরতে পারবোনা। এটাও হিন্দুসমাজের ছেলে মেয়েদের একটা বড় দুর্বলতা। আপনি যাকে ভালোবাসেন বলে ভাবছেন, তার ফাঁদে পা দিলে কিছুদিন পর আপনি বুঝতে পারবেন যে, সে আপনাকে ভালোই বাসে না বা সে আগে থেকেই বিবাহিত। কাবুলিওয়ালার বাঙালি বউ খ্যাত সুস্মিতার জীবনেই শুধু এমন ঘটনা ঘটেনি, এই বাংলাদেশের ও বহু হিন্দুমেয়ের জীবনে এমন ঘটনা ঘটেছে, নেট ফেস বুক চালান, একটু চোখ কান খোলা রাখলেই এসব ঘটনা জানতে পারবেন।

তাছাড়াও বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর মুসলমানরা কীরকম অত্যাচার করেছে এবং করছে, সেগুলো কি আপনাদের চোখে পড়ছে না বা পড়ে না ? ১৯৪৬ সালের কোলকাতার ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে বা নোয়াখালির হিন্দু হত্যার ইতিহাসের কথা জানেন ? জানেন ১৯৫০ সালে এই পূর্ববঙ্গ থেকে কিভাবে এক মাসে প্রায় ৫০ লক্ষ হিন্দুকে মুসলমানরা বিতাড়িত করেছিলো ? এই প্রশ্ন কি কখনো মাথায় আসে না যে, ১৯৪৭ এর ২৯% হিন্দু কেনো বর্তমানে ৯% এর নিচে ? এই রকম একটি শত্রু জাতির ছেলের সাথে কেনো আপনাকে বন্ধুত্ব বা প্রেম করতে হবে আর কেনোই বা তার বিছানায় গিয়ে নিজের কাপড় খুলে দিতে হবে ?

সবচেয়ে বড় কথা যে ইসলামে আপনি কনভার্ট হতে চান বা চাচ্ছেন, জানেন কি সেই ইসলামে নারীর মর্যাদা আসলে কতটুকু ? জানেন, আপনার পেয়ারের মুসলিম স্বামী যখন তখন উইদাউট নোটিশে আরো এক বা একাধিক মেয়েকে বিয়ে করে আপনাকে সতীনের সংসারে নরক যন্ত্রণায় ফেলতে পারে ? যখন তখন আপনাকে তালাক দিয়ে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারে ? আপনি হয়তো ভাবছেন, না ও ওসব করবে না। ওসব যদিও না করে, সেটা হবে হিন্দু সমাজের প্রভাবে; কারণ, ইসলামের মূল থিয়োরিতে এসব নেই। তো হাতের নাগালে হিন্দু সমাজ থাকতে আপনি তার প্রভাবে বাঁচতে যাবেন কেনো ? আর আপনি যদি মুসলমানদের কথায় এতই বিশ্বাস করেন, তাহলে আমি নিশ্চিত, আপনি মুসলমানদের চরিত্র সম্পর্কে কিছুই জানেন না; কারণ, প্রত্যেকটা মুসলমান এক একজন জাত ক্রিমিনাল, এরা জন্মসূত্রেই মিথ্যা বলা এবং খুন, ধর্ষণের প্রবণতা নিয়ে জন্মে; না হলে মুসলমানদের মধ্যে এত অপরাধ প্রবণতা কেনো ? মুসলমানদের কথার কোনো দাম নেই, কারণ তাদের নবী কথা দিয়ে কথার কোনো মূল্য রাখতো না। কি বিশ্বাস হচ্ছে না ? দেখুন নিচের এই হাদিস-
“আল্লাহর ইচ্ছায়, যদি আমি কোন ব্যপারে শপথ করি আর পরে দেখি এর চেয়ে ভাল কিছু আছে তখন আমি যেটা ভাল মনে করি সেটাই করি আর তখন পূর্বেকার শপথ রক্ষার কোন দরকার মনে করিনা।”( সহি বুখারী, বই – ৬৭, হাদিস-৪২৭)
সেই মুহম্মদের উম্মত আপনাকে দেওয়া কথার মূল্য রাখবে, সেটা আপনি ভাবলেন কিভাবে ? হ্যাঁ রাখতে পারে, যতক্ষণ সে আপনাকে ভোগ করতে না পারছে বা ইসলামে কনভার্ট করতে না পারছে। সুতরাং ইসলামে যাওয়ার আগে ইসলাম সম্পর্কে আগে ভালো করে পড়াশুনা করে ভেবে সিদ্ধান্ত নিন, কিন্তু খবরদার ইসলাম সম্পর্কে জানতে গিয়ে কোনো মুসলমানের কথা কখনো বিশ্বাস করবেন না; কারণ, তারা ইসলাম সম্পর্কে যা বলে বা বলবে তার ৯০% মিথ্যা।

অনেক হিন্দু মেয়ের মধ্যে এই ধারণা থাকতে পারে যে, মুসলিম পুরুষদের যৌনশক্তি বেশি তাই তাদের কাছে গেলে বেশি সুখ পাওয়া যাবে। যারা এটা ভাবে, তাদের জন্য বলছি, খতনার যদি কোনো উপকারিতা থাকতো এবং এটা স্বাভাবিক হতো তাহলে পৃথিবীর সব পুরুষ প্রাণীরই প্রাকৃতিক ভাবে খতনা করানো থাকতো। আপনারা কি জানেন, খতনা করানোর ফলে লিঙ্গের সেন্সিভিটি নষ্ট হয়, ফলে খতনা করানো পুরুষ এবং ঐ পুরুষ যার সাথে সেক্স করছে কেউই কখনো প্রকৃত সুখ পায় না ? মুসলিম পুরুষরা এই খতনার কারণেই বহুগামী; কারণ তারা কোনো যোনীতেই পূর্ণ সুখ পায় না, তাই তারা একের পর এক যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা করতে থাকে, প্রকৃত সুখ আসলে কোথায়, কিন্তু নিজের লিঙ্গেই যেকোনো সুখ নেই, সেটা তারা বোঝে না। খতনা করানো লিঙ্গ আসলে একটা অনুভূতিহীন দণ্ড বা আঙ্গুলের মতো। এই ধরণের লিঙ্গের চেয়ে যোনীতে আঙ্গুলের ব্যবহার বা বাজারের কৃত্রিম লিঙ্গ ডিলডোর ব্যবহার অনেক বেশি সেফ এবং সুখদায়ক।

সনি টিভির ক্রাইম পেট্রোল সতর্কতে দেখলাম, ভারতের উত্তরপ্রদেশের একটি মেয়ে একটি ছেলের প্রেমে পড়ে তার পরিবারের সম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিচ্ছিলো বলে, মেয়েটির বাবা, সেই ছেলেটি কে নয়, আগে মেয়েটিকে গুলি করে মেরে ফেললো, যদিও সেই ছেলেটি ঘটনাচক্রে আকস্মিক ভাবে বেঁচে যায়, কিন্তু মেয়েটির বাবা ইচ্ছা করলে ছেলেটিকেই আগে গুলি করতে পারতো, কিন্তু মেয়েটির বাবা বুঝতে পারছিলো যে মূল দোষ তার মেয়ের; কারণ, মেয়েটিই বার বার বলছিলো, ওর সাথে আমাকে যেতে দাও, ওকে ছাড়া আমি বাঁচবো না ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রেমে পড়লে এমন হয়। তাই বলে প্রেম করতে নিষেধ করছি না, প্রেম করেন, সেফ সেক্স করেন, কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু নিজের পরিবার এবং হিন্দু সমাজের সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার আগে একটু ভাববেন, আপনাকেই যেন আপনার বাবা বা ভাইয়ের হাতে জীবন দিতে না হয়। জীবন একটাই, সেই জীবন হারানোর চেয়ে যেকোনো ভাবেই হোক বেঁচে থাকা ভালো।

মনের মানুষকে না পেলেও দুই এক বছরের মধ্যে সেই শোক কাটিয়ে উঠা যায়, কিন্তু হিন্দুসমাজ থেকে আপনাকে হারানোর শোক আপনার পিতা মাতা ভাই বোন আত্মীয়স্বজন মৃত্যু পর্যন্ত ভুলতে পারবে না। সুতরাং এই বিষয়টি মাথায় রেখে আপনার জীবনের প্ল্যান করবেন, যাতে আপনার দ্বারা আপনার পরিবার এবং হিন্দুধর্ম ও সমাজ উপকৃত হয়, তাতেই আমাদের সবার মঙ্গল।

জয়হিন্দ।
জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ।

উপরে উল্লেখ করা রেফারেন্স গুলো : ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম চাইলে কখনো তা গ্রহণ করা হবেনা- কোরান, ৩/৮৫ অতএব হারাম মাস যখন অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন মুশরিকদের হত্যা কর যেখানেই তাদের পাও এবং তাদের ধরো, ঘেরাও করো এবং তাদের প্রতিটি ঘাঁটিতে তাদের খবরা খবর নেওয়ার জন্য শক্ত হয়ে বসো। অতঃপর তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তাহলে তাদেরকে তাদের পথ ছেড়ে দাও। আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল ও করুনাময়।– কোরান, ৯/৫ তোমরা মুশরিক নারীদেরকে কখনো বিবাহ করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ঈমান না আনবে। বস্তুত একজন ঈমানদার ক্রীতদাসী সম্ভ্রান্ত মুশরিক অপেক্ষা অনেক ভালো। যদিও এই শেষোক্ত নারীকেই তোমরা পছন্দ করে থাকো। অনুরূপভাবে নিজেদের কন্যাকেও মুশরিক পুরুষদের সাথে বিবাহ দেবে না, যতক্ষণ না তারা ঈমান না আনে।কেননা, একজন ঈমানদার ক্রীতদাস, উচ্চ বংশীয় মুশরিক অপেক্ষা অনেক ভালো। - কোরান, ২/২২১

Monday, 20 July 2020

প্রতিদিন- গীতার মাত্র ৩ টি শ্লোক পড়ুন, জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃখটা আপনাকে কোনোদিনই স্পর্শ করতে পারবে না :


প্রতিদিন- গীতার মাত্র ৩ টি শ্লোক পড়ুন, জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃখটা আপনাকে কোনোদিনই স্পর্শ করতে পারবে না :

একটা দুঃসংবাদ দিয়ে পোস্টটা শুরু করছি, যখন এই পোস্টটা লিখছিলাম, তখন আমার কাছে সংবাদ আসে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার একটা হিন্দু ছেলে, যে ছিলো তার বৃদ্ধ পিতা মাতার এক মাত্র অবলম্বন, সে লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ে নয়, শুধু হিন্দু ধর্ম নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ব্রেইনওয়াশের শিকার হয়ে গত ৩১.৩.২০১৭ তারিখে ইসলাম গ্রহন করে মুসলমান হয়ে গেছে। কেনো এই ছেলেটি বা এর মতো আরো অনেকে স্বেচ্ছায় মুসলমান হচ্ছে, এই পোস্টে পাবেন তার মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং তার প্রতিরোধের উপায়।

সাধারণভাবে বলা হয়, সন্তানের মৃত্যু কোনো পিতা মাতার কাছে সবচেয়ে বড় দুঃখের; কিন্তু কোনো কোনো পিতা মাতার কাছে এর চেয়েও বড় দুঃখ আসে বা আসতে পারে সন্তানদের মাধ্যমে, সেই প্রসঙ্গেই আজ আপনাদেরকে বলবো।

অনেক পিতা মাতা ই মৃত্যুজনিত কারণে তাদের সন্তানকে হারায়, মৃত্যুর সেই সময়টায় সব পিতা মাতা ই যে খুব বড় ধরণের একটা শক বা শোক পায় তাতে তো কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু নিয়তির বিধান ব’লে মেনে নেওয়ায় সেই শোক কাটিয়ে উঠতেও তাদের খুব বেশি সময় লাগে না; কিন্তু কোনো সন্তান যদি বেঁচে থেকেও কোনো পিতা মাতার কাছে মৃতের মতো হয়, সেই শোক বা সেই শক, সেই পিতা মাতা নিজেদের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত কিছুতেই বা কখনোই ভুলতে পারে না; আমি যে কোনো হিন্দুসন্তানের ধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়ে যাওয়ার কথা বলছি, সে বিষয়টি বুঝতে আশা করছি আর কারো বাকি নেই।

যা হোক, ধর্মান্তরিত হওয়ার কারণে যখন কোনো পিতা মাতা তার সন্তানকে হারায়, তখন প্রতিনিয়ত এই যন্ত্রণাটা সেই পিতা-মাতাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়, তারা সমাজে মুখ দেখাতে পারে না, আত্মীয় স্বজনের কাছে মাথা উঁচু ক’রে চলতে পারে না, কোথাও মেরুদণ্ড সোজা করে, বুক ফুলিয়ে সে কিছু বলতে পারে না বা সেভাবে চলতে পারে না। কিন্তু কোনো একজন সন্তানের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক মৃত্যুতে কোনো পিতা মাতাকে এই ধরণের মানসিক যন্ত্রণাদায়ক প্রব্লেম ফেস করতে হয় না। তাই কোনো ছেলে মেয়ের ইসলাম গ্রহন বা মুসলমান হয়ে যাওয়া, আমার কাছে সেই সন্তানের মৃত্যু অপেক্ষা অধিক যন্ত্রণার। কেননা, কোনো সন্তান মারা গেলে আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশি গ্রামবাসী সবাই তার পাশে থাকে এবং তাকে সাহস ও সান্ত্বনা দেয় এই বলে যে, কপালের লিখন মেনে তো নিতেই হবে এবং এসব সান্ত্বনা পেতে পেতে সে একসময় সব দুঃখ যন্ত্রণার কথা ভুলে যায়; কিন্তু যখন কোনো ছেলে মেয়ে মুসলমান হয়ে যায়, তখন কেউ তার পাশে থাকে না, সবাই তাকে ঘৃণা করতে শুরু করে এবং তাকে দোষ দিতে থাকে, এই সব যন্ত্রণার মধ্যে প’ড়ে প্রতিনিয়ত সে ভাবতে থাকে কী তার ভুল ছিলো ? কেনো তার জীবনে এমন ঘটনা ঘটলো ? এই সব ভাবতে ভাবতে চোখের জলে তাকে তাকে পার করতে হয় রাতের পর রাত, বছরের পর বছর।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেনো কোনো হিন্দু সন্তান নিজের ধর্ম ত্যাগ ক’রে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহন করে মুসলমান হয়ে যায় ?

এ প্রসঙ্গে আগে একটা গল্প শুনুন, যেটা আমার এক ভক্ত বা শিষ্যের জীবনের বাস্তব ঘটনা।
সে পিতা মাতার একমাত্র সন্তান, কিন্তু ঘটনা চক্রে প্রেমে পড়ে যায় এক মুসলিম মেয়ের। আমাদের বেশির ভাগ হিন্দু ছেলেই জানে না যে, মুসলিম মেয়েদের প্রেম হলো হিন্দু ছেলেদের জন্য একটা ফাঁদ। এই ফাঁদের ব্যাপারে সব মুসলমান সতর্ক ব’লে কোনো মুসলিম মেয়ের সাথে কোনো হিন্দু ছেলের প্রেম দেখলেও তারা আঁতকে উঠে না; যেহেতু তারা জানে যে, এটা ইসলামের কোনো ক্ষতির বিষয় নয়, এটা ইসলামের লাভেরই বিষয়; কেননা, যেকোনোভাবে হিন্দু ছেলেটাকে ফাঁসিয়ে দিয়ে তাকে জোর করে মুসলমান বানানো যাবেই যাবে। এ প্রসঙ্গে আরও তিনটি ঘটনা শুনে রাখুন:

গ্রামের মধ্যে মুসলমান মেয়ের সাথে প্রেম হয়েছে হিন্দু ছেলের। প্রেম তো আর বেশিদিন গোপন থাকে না, তো একদিন সেই হিন্দু ছেলেটি মুসলমান মেয়েটিকে মোটর সাইকেলে করে পেছনে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো, এটা দেখে ফেলে গ্রামের লোকজন, তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারে মেয়ের সাথে ছেলের গভীর ভাব; তাছাড়াও মুসলমান মেয়ের সাথে প্রেম ক’রে তাদের দৃষ্টিতে সেই হিন্দু ছেলেটা করে ফেলেছে এক মহা অপরাধ, তাই গ্রামে বিচার বসে, বিচারে রায় হয়- হয় সেই ছেলেকে মুসলমান হয়ে ঐ মুসলিম মেয়েকে বিয়ে করতে হবে, না হয় সেই গ্রামে তাদেরকে আর বসবাস করতে দেওয়া হবে না। চারেদিকে বিপদ বুঝতে পেরে, ছেলের বাপ, ছেলেকে মুসলমানই হতে বলে এবং সেই ছেলেকে মুসলমান বানিয়ে নিজেদের লাভ তুলে মুসলমানরা।

আরেকটি ঘটনায়, মুসলিম মেয়ের সাথে হিন্দু ছেলে প্রেম করায়, গ্রামের মুসলমানরা শালিস বসিয়ে ছেলের পরিবারকে কয়েক লক্ষ টাকা জরিমানা করে, ছেলেকে বাঁচাতে সেই পরিবার যখন জমি বেচতে যায়, তখন জমির দাম কমে চারভাগের একভাগে দাঁড়ায়, কারণ সেই জমি কিনবে মুসলমানরা তাদের ইচ্ছে মতো দামে; জমি কেনার আর লোকও নেই, সুতরাং ছেলেকে বাঁচাতে জলের দামে জমি না বেচে সেই পরিবারের কোনো উপায় আছে ?

তৃতীয় যে ঘটনাটা বলছি, সেই ঘটনাটা এখন বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য বর্তমানে এক ভীষণ যন্ত্রণার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হিন্দুটি ছিলো একজন কবিয়াল, তার বাড়ি ঝালকাঠি জেলায় এবং তার হিন্দু নাম ছিলো নিখিল কুমার বিশ্বাস; সে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কবিগান করতো। তো একবার কোনো এক জায়গায় গান করতে গিয়ে কোনো এক মুসলমান পরিবারে রাত কাটানোর সময়, সেই পরিবারের এক মেয়ের সাথে বিছানায় যুদ্ধরত অবস্থায় ধরা পড়ে। বাসর রাত যখন করেই ফেলেছে, তখন মুসলমানরা তাকে আর ছাড়ে ? জোর করে তাকে মুসলমান বানিয়ে সেই মেয়েকে বিয়ে করতে বাধ্য করে।

ধরা পড়ে মুসলমান হওয়ার পর, হিন্দু হিসেবে তার কবিগানের যে খ্যাতি ছিলো, তার সব তো তখন শেষ। কোনো আয় রোজগার নেই, আবার হিন্দু আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকেও সে বিতাড়িত। সে তখন ভাবে, মুসলমান যখন হয়েছি ই তখন ছোট মুসলমান হবো কেনো ? বড় মওলানা মুসলমান হবো। এরপর সে কোরান হাদিসের জ্ঞান অর্জন ক’রে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ওয়াজ মাহফিল করা শুরু করে, আর নওমুসলিম বলে মুসলমানরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া করে নিয়ে যাওয়া শুরু করে এবং তার আগে তাকে ওয়াজ মাহফিলের পোস্টারে এবং মাইকিং এ পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত একজন নও মুসলিম হিসেবে; এভাবে ইসলামের জোশকে সেই এলাকার মুসলমানরা একজন হিন্দু সন্তানকে দিয়ে বৃদ্ধি করে এবং হিন্দুদেরকে হেয় করে। সেই ওয়াজী নওমুসলিমের বর্তমান নাম ইসমাইল হোসেন সিরাজী বা ফারুকী। সে যেখানেই যায়, তার একমাত্র কাজ হলো হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুদেরকে নিয়ে কটূক্তি ও গালাগাল করা। যেহেতু সে আগে হিন্দু ছিলো, তাই হিন্দুরাও তার ব্যাপারে কোনো জোরালো পদক্ষেপ নিতে পারে না, আর এর ফায়দা তুলছে মুসলমানরা। এই সিরাজী বা ফারুকীর মুখ বন্ধ করা বর্তমানে হিন্দুদের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যা হোক, উপরের তিনটি ঘটনার দ্বারা, মুসলিম মেয়ে যে হিন্দু ছেলেদের জন্য ফাঁদ, সেটা সম্ভবত সবাইকে আরো ভালো করে বোঝাতে পেরেছি, যে ধারণাটা উঠতি বয়সী কোনো হিন্দু ছেলের নলেজে খুব বেশি থাকে না। তো আমার সেই ভক্ত শিষ্য, মুসলিম মেয়ের প্রেমে পড়লেও তার হিন্দুত্বকে বিসর্জন দিতে সে খুব একটা রাজী ছিলো না, তারপরও সেই মুসলিম মেয়েটি তাকে ফাঁদে ফেলতে এতটুকু চেষ্টার ত্রুটি করে নি। প্রথমে সে আমার ভক্তকে প্রস্তাব দেয়, তোমাকে বিয়ে করে আমি তোমার সাথে হিন্দু হয়েই থাকবো, কিন্তু তার আগে তোমাকে মুসলমান হয়ে আমাকে বিয়ে করতে হবে, তা না হলে ফ্যামিলিকে মানাতে পারবো না। আমার ভক্ত তার প্রস্তাবে রাজী হয় এবং এক কাজী অফিসে গিয়ে কালমা পড়ে মুসলমান হয়ে কাগজ পত্রে সই করে তাকে বিয়ে করে।

একটা হিন্দু ছেলে মুসলমান হচ্ছে, এই খবর আর গোপন থাকে না, দলে দলে হুজুররা সব কাজ ফেলে কাজী অফিসে চলে আসে এবং তাকে জড়িয়ে ধরে অভিবাদন জানায় এবং বলে আপনি এখন আমাদের ভাই এবং এই কাজের ফলে আপনার সাত পুরুষ বেহেশতে চলে গেছে। শালা বলদ মুসলমানেরা জানেই না যে, ইসলাম মতে, জিহাদী ছাড়া কোনো মুসলমান কোনোদিন বেহেশতে যেতেই পারবে না; হ্যাঁ, সেই কথা ই বলা আছে নিচের এই আয়াতে, দেখে নিন সেটা-

“তোমরা কি মনে করেছো, তোমরা এমনিতে বেহেশতে প্রবেশ করবে , যতক্ষণ না আল্লাহ তোমাদের মধ্যে কে জিহাদ করেছে, আর কে করে নি, তা না জানছেন ?" - (কোরান, ৩/১৪২)

জিহাদ ছাড়া বেহেশতে যাওয়া যাবে না বলেই তো মুসলমানরা জিহাদের নামে আল্লার রাস্তায় হিজরত করে আত্মঘাতী বোমা হামলা করে মরছে। আর ইসলামের সেই সন্ত্রাসী রূপকে আড়াল করতে তথাকথিত মডারেট মুসলমানরা রাত দিন চিৎকার করে বলে বেড়াচ্ছে, ইসলাম সন্ত্রাসকে সমর্থন করে না, ইসলাম শান্তির ধর্ম, এরা কোরানের অপব্যাখ্যা করে লোকজনকে ভুল পথে চালিত করে সন্ত্রাস করছে, ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।

আরে বলদা, কোনো কিছুর অপব্যাখ্যা ক’রে তার মাধ্যমে কাউকে তার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলানো সম্ভব ? তারা জেনেছে যে কোরানের মধ্যে জিহাদ সম্পর্কে কী বলা আছে; তারা সেটা দেখছে, পড়ছে এবং সেই কথাকে বিশ্বাস করেই নিজেদের জীবনকে উড়িয়ে দিচ্ছে; কোনো কিছুর ভুল বা অপব্যাখ্যা ক’রে কাউকে দিয়ে কি তার জীবনকে বিসর্জন দেওয়ানো সম্ভব ? আর যদি সেটাও করানো সম্ভব হয়, তাহলেও তো এটা প্রমান হয় যে, মুসলমানার একটা বলদ ও নির্বোধ জাতি, যাদের এইটুকু বোঝার ক্ষমতা নেই যে, কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা ?

যা হোক, কাজী অফিসে উপস্থিত হুজুররা আমার ভক্তকে বলেছিলো, আপনার ইসলাম গ্রহনের ফলে, আপনার সাত পুরুষ বেহেশতে যাবে । কিন্তু এই দাড়িওয়ালা ছাগলগুলো এটা জানে না যে, কেউ ইসলাম গ্রহন করলে তার পূর্ব পুরুষরা বেহেশত পায় না, কেননা, মুহম্মদ নিজে বলে গেছে যে, তার পিতা ইসলাম গ্রহন না করে মরে যাওয়ায় তারাও জাহান্নামী, দেখে নিন সেই হাদিস-

বিশ্বাসীদের বাবা ও মা যদি মুসলিম না হয় তাহলে তারা সকলেই দোজখে যাবে।মুহাম্মদের বেলায়ও ঠিক তাই হবে। (সহি মুসলিম ১/০৩৯৮, ২/০৪৬৪, ৩/৪০/৪৭০০)

যা হোক, আমার ভক্ত কাজী অফিসেই বুঝে ফেলে যে, সে ফাঁদে পড়ে গেছে এবং এখন এতজন হুজুরের মধ্যে বীরত্ব দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না, তাই সে গরম মাথায়, কিন্তু ঠাণ্ডা অভিব্যক্তিতে কাজী অফিস থেকে তার মুসলমান বউয়ের সাথে বেরিয়ে আসে এবং ভাবতে থাকে পরে যা করার করবে। এমন সময় সেই মেয়েটি বলে, এখন কিন্তু তোমাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে, কারণ এখন তুমি মুসলমান হয়ে গেছো। মাথায় রক্ত উঠে যায় আমার ভক্তের, সাথে সাথে মেয়েটাকে একটা গালি দিয়ে চড় মেরে বলে,

“আমি কখনো পড়বো না”, তুই আমাকে ফাঁদে ফেলে মুসলমান বানিয়েছিস, তোর সাথে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই।”

এরপর সে বিভিন্ন কৌশলে সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসে। এই বেরিয়ে আসার পেছনে আমার ভক্তের মাথায় যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছিলো, তা হলো- তার মা খুবই ধার্মিক একজন মানুষ, তার ভয় হচ্ছিলো, যখন তার মা জানবে যে, তার ছেলে কোনো মুসলমান মেয়েকে বিয়ে করে মুসলমান হয়ে গেছে, তখন সে হার্ট ফেইল করে মারা যাবে। এই ভাবনা থেকেই সে তার প্রেমকে বিসর্জন দিয়ে সম্পর্ক ভেঙ্গে বেরিয়ে আসে। মূলত তার মায়ের ধর্মবোধ এবং ধর্মচর্চাই তার পরিবারকে বড় একটি বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে, সেটা আজ পর্যন্ত তার বাবা মা আত্মীয়-স্বজন কেউ জানে না।

এই পোস্টটি শুরু করেছিলাম গীতা পড়ার উপদেশ দিয়ে এবং এই কথাও বলেছি যে, কেউ যদি প্রতিদিন মাত্র তিনটি করে গীতার শ্লোক অর্থ সহকারে পড়ে, তাহলে তার জীবনে সবচেয়ে বড় দুঃখটা কোনোদিনও আসবে না। আমি বড় দুঃখ বলতে এটা বুঝিয়েছি যে, নিজের ছেলে মেয়েদের মুসলমান হয়ে যাওয়া এবং আশা করছি যে, এই বিষয়টি সবার কাছে পরিষ্কার হয়েছে। কিন্তু কিভাবে মাত্র প্রতিদিন গীতার তিনটি শ্লোক আপনাকে এই ভীষণ বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে বা পারবে ?

আসলে আমাদের হিন্দু ছেলে মেয়ে যে পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্যাঁচে বা ফাঁদে পড়ে মুসলমান হয়, তার কারণ, ছোটবেলা থেকেই তাদের মাথার মধ্যে হিন্দু ধর্মটাকে ভালো করে ঢুকিয়ে না দিয়ে তার বিশ্বাসের কুঠুরিটাকে খালি করে রেখে দেওয়া হয়; আর এর মূল কারণ, সেই পরিবারের বাবা মা বা অন্যদের ধর্ম চর্চা না করা।

ধর্মচর্চাহীন একটা পরিবেশে একটা সন্তান বড় হতে হতে এবং তার প্রতিবেশি মুসলমানদের মধ্যে ধর্মের প্রতি প্রবল আগ্রহ দেখে একটা সময় সে এটা বিশ্বাস করতে শুরু করে যে হিন্দুধর্ম বলতে কিছু নাই; কিন্তু প্রচুর পড়াশোনা করে নাস্তিক না হলে কেউ ধর্মবিশ্বাস ছাড়া বাঁচতে পারে না বা পারবে না। এই পরিসস্থিতিতে যখনই কোনো হিন্দু ছেলে মেয়ে দেখে যে, তার পরিবারে ধর্মের চর্চা নেই, এবং তাকে সঠিক ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার কোনো সামাজিক ব্যবস্থা এবং সে বিষয়ে কারো আগ্রহও নেই, তখনই সে অন্য ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং যেহেতু আমাদের চারেদিকে ইসলামের অজস্র ফাঁদ পাতা রয়েছে, সেহেতু আমাদের হিন্দু ছেলে মেয়েরা সেই ইসলামের ফাঁদেই গিয়ে পড়ে এবং মুসলমান হয়ে যায়।

এই প্রেক্ষাপটে কোনো ছেলে মেয়ে যদি ছোটবেলা থেকেই দেখে যে তার পিতা মাতা বা পরিবারের অন্য সদস্যরা খুব ধর্ম ভীরু এবং তারা প্রতিদিন কিছু না কিছু ধর্মচর্চা করে, তাহলে সেই সন্তান বড় হয়ে কিছুতেই বিপথে যাবে না; এজন্য আমার পরামর্শ হচ্ছে প্রতিদিন আপনি অন্তত গীতার তিনটি শ্লোক পড়ুন, সেটা আপনার সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যরা দেখুক, শুনুক; তাহলে আস্তে আস্তে সবার মধ্যে সেটা সংক্রমিত হয়ে সবাই গীতা পড়া বা ধর্মচর্চা শুরু করবে। কিন্তু মাত্র তিনটি শ্লোক কেনো, বেশি হলে ক্ষতি কী ?

বেশি হলে ক্ষতি নেই, কিন্তু আমি বেশি লোডটা চাপাতে চাই না। বেশি লোড চাপালে আপনি একদিন বা দুই দিন হয়তো সেই লোড নেবেন, সাত দিন পরে আর সেই লোড নেবেন না, ফলে আমার উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। প্রথমে আমি সবাইকে ধর্মের লাইনে আনতে চাই, তারপর তাকে দিয়ে বেশি পথ হাঁটাতে চাই। এজন্য আমি যে থিয়োরি আবিষ্কার করেছি, তা হলো-

প্রতিদিন স্নান করা শেষে ভেজা গামছা পড়েই আপনি আপনার বাড়ির ঠাকুর ঘরে যাবেন এবং ঠাকুর ঘর না থাকলে টেবিলে থাকা গীতাটা হাতে নেবেন এবং এবং মাত্র তিনটা শ্লোক জোরে জোরে অর্থসহ পড়বেন। এতে আপনার সময় লাগবে মাত্র এক থেকে দেড় মিনিট, যেটা আপনার কাছে কিছু মনেই হবে না; কিন্তু এর মাধ্যমে আপনি আপনার পরিবারে বয়ে আনবেন এক অশেষ কল্যান। শুধু তাই নয়, আপনাকে প্রতিদিন ধর্ম চর্চা করতে দেখলে পরিবারের কেউ আপনার সাথে উচ্চস্বরে কথা বলবে না, সবাই আপনাকে রেসপেক্ট করে কথা বলবে এবং এটা আস্ত আস্তে ছড়িয়ে পড়বে আপনার বাড়ির আশে পাশে এমনকি দূর দূরান্তে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আপনি অশেষ সম্মান লাভ করতে পারেন বা পারবেন।

একটা কথা মনে রাখবেন, কোনো আদর্শ কখনোই ছোট থেকে বড় বা নীচু থেকে উঁচুতে প্রবাহিত হয় না। আপনি নিজে ধর্ম চর্চা না করে কিছুতেই এই আশা করতে পারেন না যে, বাড়ির ছোটরা বা অন্যরা ধর্মচর্চা করে আপনার ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখবে। একটা প্রবাদ আছে যে, নিজে আচরি ধর্ম পরকে শেখাও’ অর্থাৎ নিজে আচরণ করে অন্যকে শেখাতে হবে। সেজন্য আপনি আগে ধর্ম চর্চা করুন এবং এজন্য কমপক্ষে প্রতিদিন মাত্র দেড়-দুই মিনিট সময় ব্যয় করে গীতা পড়া শুরু করুন, ঈশ্বর যদি চায় তাহলে আপনাকে সে এই পথে অনেক দূর নিয়ে যাবে, সেটা পরের বিষয়; কিন্তু আগে শুরুটা তো করুন। প্রতিদিন স্নান শেষে শুকনো পোষাক পরার আগেই মাত্র তিনটা গীতার শ্লোক, মাত্র তিনটা এবং তা এই পোস্ট পরার পর থেকেই শুরু করুন, আর আপনার আচরণে প্রভাবিত করুন বাড়ির ছোটদের, জীবনের সম্ভাব্য সবচেয়ে বড় দুঃখ আপনাকে কোনোদিনই স্পর্শ করতে পারবে না, এই গ্যারান্টি আমার।

জয় হিন্দ।
জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ।

Thursday, 16 July 2020

S@ifur`s হতে সাবধান, এই প্রতিষ্ঠান Brain wash এর মাধ্যমে নীরবে ধর্মান্তর করে চলেছে বাংলাদেশের হিন্দুদের :


S@ifur`s হতে সাবধান, এই প্রতিষ্ঠান Brain wash এর মাধ্যমে নীরবে ধর্মান্তর করে চলেছে বাংলাদেশের হিন্দুদের :

 S@ifur`s বাংলাদেশের এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যার শয়নে-স্বপনে-সর্বত্র শুধু ইসলাম আর ইসলাম। কিন্তু মুহম্মদের আমলের জোর জবরদস্তির ইসলাম যেহেতু আর এই আধুনিক যুগে সম্ভব নয়, সেহেতু সাইফুর রহমান খানের ইসলাম এখন ব্রেইন ওয়াশ ও সুযোগ-সুবিধার মনস্তাত্ত্বিক চাপে ফেলে ধর্মান্তকরণের কৌশলী ইসলাম।

এক সময় এই ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানরা, নাসারা-খ্রিষ্টানদের ভাষা ব’লে যে ইংরেজিকে ঘৃণা ও অবজ্ঞা করতো; সাইফুর রহমান খান, বাংলাদেশে সেই ইংরেজির ব্যবসায়ী, দেশ জুড়ে যার কোচিং সেন্টারের নামে শত শত ইংরেজির দোকান, কিন্তু শুরু থেকেই এই সব ইংরেজির দোকানগুলোর মূল যে উদ্দেশ্যে ছিলো এবং এখনও আছে, তা হলো হিন্দু শিকার।

S@ifur`s এর প্রতিটা বইয়ে দেখবেন কোরান-হাদিসের কিছু না কিছু বয়ান আছেই এবং কে, কেনো ইসলাম গ্রহন করেছে, এরকম দু একটি কাহিনীও কোনো কোনো বইয়ে পেতে পারেন; এর মূল উদ্দেশ্য হিন্দু শিক্ষার্থীদেরকে ব্রেইন ওয়াশের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ইসলামের দিকে নিয়ে যাওয়া।

S@ifur`s এর প্রত্যেকটা শিক্ষক বেশ-ভূষায় গোঁড়া মৌলবাদী মুসলমান, তাদের মনের অবস্থা কী, সেটা একবার কল্পনা করুন। এছাড়াও S@ifur`s এ শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক শর্তই থাকে চিল্লা দিতে হবে। এই চিল্লা জিনিসটা যে কী, সেটা যারা জানেন না, তাদের জন্য বলছি, চিল্লা হলো- ৮/১০ জনের একটা গ্রুপ করে এক বা একাধিক মাস ধরে, দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে, বিভিন্ন মসজিদে নামাজ পড়া। মনে প্রানে হান্ড্রেড পার্সেন্ট মুসলমান না হলে কেউ এই ধরণের চিল্লায় যেতে পারে না বা সময় দিতে পারে না, যেমন কেউ হান্ড্রেড পার্সেন্ট মুসলমান না হলে আত্মঘাতি বোমা হামলাকারী হতে পারে না। এরা নিজেকে ইসলামের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত করে রাখে। তো S@ifur`s এ নিয়োগ দেওয়া হয় এই ধরণের পরীক্ষিত মুসলমানদের। তাই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে লেখা ই থাকে চিল্লা দেওয়া থাকলে অগ্রাধিকার। এই সূত্রে কোনো অমুসলিম S@ifur`s এ শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় না।

অন্যান্য সেক্টরে যে দু একজন অমুসলিম বা হিন্দুকে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাদেরকে নিয়োগ করার পেছনে থাকে গভীর, বিশেষ উদ্দেশ্য । S@ifur`s এর কর্মযজ্ঞ সারাদেশ জুড়ে মোটামুটি বিশাল। এতে দু একটি পদে, দেখে-শুনে গরীব, দুঃস্থ, অসহায় হিন্দু যুবকদেরকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর, সব বেশ্যা মিলে যেমন একটি ভালো মেয়েকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে বেশ্যা বানায়, তেমনি S@ifur`s এর সকল স্টাফ মিলে তখন ঐ হিন্দু ছেলেটির ব্রেইন ওয়াশ করতে থাকে, তার উপর তারা চালাতে থাকে প্রশ্ন জিহাদ এবং যেহেতু হিন্দুদের ধর্মীয় জ্ঞান কম সেহেতু এক সময় ঐ ছেলেটি মানসিকভাবে তাদের কাছে পরাস্ত হয় এবং এভাবে ইসলামের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে একেবারে প্রতিষ্ঠানের সুপ্রিম লেভেল থেকে ঐ ছেলেটির কাছে ওহী আসে, ইসলাম গ্রহন করলে চাকরি থাকবে, না গ্রহন করলে চাকরি থাকবে না; ইসলাম গ্রহন করলে শুধু চাকরি থাকবেই না, স্থায়ীও হবে এবং বেতনও বাড়বে, এক কথায় আমাদের সাথে থাকলে তোমার ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত। হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায়- হিন্দুধর্মের বিশালতা, মহানুভবতা এবং খাঁটিত্ব সম্পর্কে উপলাব্ধি করতে না পেরে, মুসলমানদের মিথ্যা প্রচারনায় প্রভাবিত ঐ হিন্দু ছেলেটি তখন নিজের জীবন, ক্যারিয়ার, ভবিষ্যৎ বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা ক’রে এবং সিদ্ধান্ত নেয় তার জন্য ইসলাম গ্রহণই সঠিক পদক্ষেপ। এরপর সে ইসলাম গ্রহন করে এবং মুসলমান হয়ে হিন্দুধর্মের মহাসাগর থেকে উঠে গিয়ে ইসলামের পচা নর্দমায় নামে।

সম্প্রতি S@ifur`s কর্তৃক ধর্মান্তরিত বেশ কয়েকটি ঘটনার কথা জানা গেছে, যার মূল প্রসেসটা ছিলো এই রকম ই। হিন্দুদেরকে বলছি, আপনারা কেউ পারতপক্ষে S@ifur`s এ চাকরি নিতে যাবেন না, কোচিং করতেও যাবেন না, ছেলে মেয়েদেরকে তো পাঠাবেন ই না। কারণ চাকরি নিলে আপনার এক পা থাকবে ইসলামে আর এক পা হিন্দু ধর্মে, কিন্তু হিন্দুধর্মের পা যে উঠে গিয়ে কখন ইসলামে চলে গেছে তা আপনি বুঝতেই পারবেন না। আর কোচিং করতে গেলেও হবেন ব্রেইন ওয়াশের শিকার। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, আপনি যে টাকা S@ifur`s এ দেবেন, সেই টাকা ব্যয় হবে হিন্দু সমাজকে ধ্বংস করতে। সুতরাং S@ifur`s এর সেই বিজ্ঞাপন “এক পা S@ifur`s এ দিলেই অন্য পা অস্ট্রেলিয়ায়” এর মতো আগেই ভাববেন, S@ifur`s এ গিয়ে আপনি এক পা ইসলামে দিলেন না তো ?

 জয় হিন্দ।